বাংলাহান্ট ডেস্ক : মাংসের লোভে মানুষ খুনের অভিযোগে গ্রেফতার একজন। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহারের (Coachbehar) দিনহাটার কুর্শাহাট এলাকায়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, জেরার মুখে ধৃত ব্যক্তি স্বীকার করেছন যে মাংস খাওয়ার লোভেই খুন করেছেসে। এই বিরলতম ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তথা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে এলাকায়।
কোচবিহারে (Coachbehar) নরখাদক সন্দেহে গ্রেফতার এক
কোনও বলিউডি থ্রিলার ছবি নয়। বাস্তবেই এই ঘটনা ঘটেছে কোচবিহারে। মৃত ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি বলেই খবর পুলিশ সূত্রে। তবে তিনি ওই এলাকার শ্মশানের কাছে একটি কুঁড়ে ঘরে থাকতেন বলে জানা গিয়েছে। কুর্শাহাটের একটি জলাশয়ে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ। তাঁর গলায় এবং ঘাড়ে কাটা ছিল বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে।

পুলিশি জেরায় স্বীকার: মৃতদেহ উদ্ধারের পরেই শুরু হয় পুলিশি তদন্ত। গ্রেফতার হয় ফিরদৌস আলম নামে এক যুবক। তিনি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন বলে খবর পুলিশ সূত্রে। জানা গিয়েছে, অজ্ঞাতপরিচয় ওই ব্যক্তিকে খুন করে প্রথমে জলের কাছে নিয়ে যায় ফিরদৌস। দেহ পরিস্কার করে তা লুকিয়ে রেখেছিল সে। জানা গিয়েছে, পুলিশি জেরার মুখে অভিযুক্ত স্বীকার করে নেয় দেহের কিছু অংশ খাওয়ার করার জন্য খুন করেছিল সে।
আরও পড়ুন : বাংলায় ফের ‘নিপা’ আতঙ্ক! ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে বারাসতের হাসপাতালে ভর্তি ২ নার্স
কী জানাল পুলিশ: দিনহাটার (Coachbehar) এসডিপিও এ বিষয়ে বলেন, ঘটনাটি খুবই বিরল এবং গুরুতর। মানুষের মাংস খাওয়ার জন্যই খুন করে অভিযুক্ত। নরমাংস ভক্ষণের মতো বিরল ঘটনা হিসেবে একে বিবেচনা করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, স্থানীয় সূত্রে পুলিশ অভিযুক্ত সম্পর্কে তথ্য পেয়েছে। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় তাকে। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে। আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে।
আরও পড়ুন : TET নেই এমন শিক্ষকের তালিকাই নেই! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বড় সমস্যায় রাজ্যের উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষা
উল্লেখ্য, এই ঘটনা আবারও ফিরিয়ে দিয়েছে নয়ডার নিঠারি হত্যাকাণ্ড। সেটা ২০০৫-২০০৬ সালের ঘটনা। এলাকার মণিন্দর সিং এবং তাঁর পরিচারক সুরিন্দরের নাম জড়ায় পরপর শিশু এবং কিশোরী নিখোঁজের ঘটনায়। পরে নর্দমার পাড় থেকে তাদের দেহাবশেষ উদ্ধার হয়। যদিও এই মামলায় পরে বেকসুর খালাস পায় তাঁরা।












