সাদা বালির চরে বিছানো নীল জলের চাদর! কোথায় গেলেন নরেন্দ্র মোদী, জায়গার নাম শুনলে এক্ষুনি ছুটবেন

বাংলা হান্ট ডেস্ক : নতুন বছরের শুরুতেই দক্ষিণ ভারত সফরে গেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। সফর তালিকায় রয়েছে তামিলনাড়ু, কেরল এবং লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep)। দক্ষিণের দুই রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে একাধিক প্রকল্প উদ্বোধনের কথা রয়েছে। জল প্রকল্প, সৌর প্রকল্প, টেলিকমিউনেকশন-সহ ১১৫০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। যার মধ্যে অন্যতম হল কোচি-লাক্ষাদ্বীপ সাবমেরিন অপটিক্যাল ফাইবার প্রকল্প।। তারমধ্যেই প্রকাশ্যে এল প্রধানমন্ত্রীর বেশকিছু নয়া ছবি‌। যা রীতিমত ভাইরাল হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

   

এইমুহুর্তে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রয়েছেন ভারতের সবচেয়ে ছোট কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাক্ষাদ্বীপে। সমুদ্র তীরে গিয়ে জলকেলিতে মত্ত হয়েছেন তিনি। প্রবাল, বিভিন্ন ধরণের মাছের ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে জানিয়েছেন, লাক্ষাদ্বীপ অবশ্যই ভ্রমণপিপাসুদের বাকেট লিস্টে থাকা উচিত। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি লাক্ষাদ্বীপের প্রশান্তিও মন্ত্রমুগ্ধকর।

এইদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে নমো লেখেন, “যারা অ্যাডভেঞ্চারকে আলিঙ্গন করতে চায়, লাক্ষদ্বীপকে তাদের তালিকায় থাকা উচিত। আমার থাকার সময়, আমি স্নরকেলিং করার চেষ্টাও করেছি, এটি একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা ছিল। স্নরকেলিং করার ছবিও শেয়ার করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন : ১৫০০ যাত্রী, ৬০ কিমি গতি! লাইনম্যানের একটি ভুলে পাকিস্তানে মৃত্যু ৩০০-র বেশি মানুষের

জানিয়ে রাখি, স্নরকেলিং হল, একটি মুখোশ এবং একটি শ্বাস-প্রশ্বাসের নল ব্যবহার করে জলের পৃষ্ঠের কাছাকাছি সাঁতার কাটা। স্নরকেলাররা উপর থেকে জলের নিচের প্যানোরামিক ভিউ উপভোগ করে। যদিও এতে জলের খুব বেশি গভীরে যাওয়া হয়না। এর আগে ২০১৯ সালেও বিয়ার গ্রিলসের সাথে এক দুঃসাহসীক অভিমানে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুন : রাম মন্দিরের পাশেই ভারত তথা এশিয়ার প্রথম AI শহর! গেলেই চমকে উঠবেন

pm modi 17

সেইসময় গ্রিলস একটি সাক্ষাৎকারে মোদী প্রসঙ্গে বলেছিলেন, পুরো যাত্রা জুড়ে যেটি তাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছিল তা হল, বিশ্ব নেতার নম্রতা। এমনকি অবিরাম বৃষ্টির মধ্যেও, তার মুখে ছিল হাসি। শো সম্প্রচারের আগে গ্রিলস একটি বিশেষ প্রোমো শেয়ার করেছিলেন। যা কিনা সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী একবার বলেছিলেন, ‘আমরা যখন প্রকৃতির বিরুদ্ধে যাই তখন সবকিছুই বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। মানুষও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, আমরা যদি প্রকৃতির সঙ্গে সহযোগিতা করি, তাহলে সেও আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করে।’