বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ত্রিপুরায় আইপ্যাক (ipac) কর্মীদের আটকে রাখাকে ঘিরে বাদ বিবাদ চরমে উঠেছে তৃণমূল (TMC) এবং বিজিপির (BJP) মধ্যে। যদিও পূর্ব আগরতলার পুলিশ সুপার জানিয়েছিলেন,কোভিড পরীক্ষা না করিয়েই বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন আইপ্যাক কর্মীরা, সেই কারণেই তাদের আটকানো হয়েছে। কিন্তু তৃণমূল-বিজেপি বাদ-বিবাদ আর এই ঘটনায় আটকে নেই।
ইতিমধ্যেই ব্রাত্য বসু (Bratya Basu), মলয় ঘটক (Malay Ghatak) এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Retabrata Bandopadhyay ) প্রতিনিধি দল ত্রিপুরা গিয়েছিল গোটা বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিতে। আগামীকাল তৃণমূল সাংসদ তথা সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জির (Abhishek Banerjee) আসার আগে আজ ত্রিপুরা পৌঁছান তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েনও (Derek O’Brien)। আজ তাদের নিয়েই একটি সাংগঠনিক বৈঠক করার কথা ছিল তৃণমূলের।
সাংগঠনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক এবং ডেরেক ও’ব্রায়েনরা। এই অনুষ্ঠানের জন্য আগরতলার একটি হোটেলের ব্যাঙ্কোয়েট ভাড়া নেয় তৃণমূল। কিন্তু সাংগঠনিক বৈঠকের আগেই সেখানে পৌঁছায় পুলিশ। অভিযোগ তৃণমূলের সদস্যদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, কতজনকে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কারা এই বৈঠক ডেকেছে?যা নিয়ে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি বলেন “আমরা কি জঙ্গি? তাহলে ১০০ জন পুলিশকর্মী পাঠালো কেন? আমরা কোনও কিছুতেই ভয় পাই না।”
শুধু তাই নয়, এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধেও একহাত নেন ডেরেক। তার দাবি, আইপ্যাকের কর্মীরা ত্রিপুরায় কাজ করতে এসেছিল। তাদের গ্রেপ্তার করার নির্দেশ এসেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, জুলুম বাজির বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদের সুর গড়ে উঠছে। তারা যেখানেই যাচ্ছেন খেলা হবে শ্লোগান শোনা যাচ্ছে। আর তাই তৃণমূলকে ভয় পাচ্ছে ত্রিপুরা বিজেপি। এদিন গুজরাটের স্টাইলে ত্রিপুরা বিজেপি চালাচ্ছে বলেও দাবি করেন ডেরেক।