টাকা রাখলেই দ্বিগুণ! পোস্ট অফিস কেভিপি স্কিমে বাম্পার রিটার্ন, হিসাব বুঝুন

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ টাকা জমিয়ে দ্বিগুণ রিটার্ন পাওয়া যায়, এমন স্কিম খুব কমই আছে। আপনি যদি এমন বাম্পার রিটার্নওয়ালা কোনও স্কিমের খোঁজে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য একটি ভালো বিকল্প হতে পারে পোস্ট অফিস কেভিপি স্কিম (Post Office KVP Scheme) তথা কিষাণ বিকাশ পত্র (Kisan Vikas Patra)। এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে মেয়াদ শেষে দ্বিগুণ রিটার্ন পাওয়া যায়।

পোস্ট অফিস কেভিপি স্কিমের হিসাব | (Post Office KVP Scheme)

পোস্ট অফিস কেভিপি স্কিমের সুদের হার প্রত্যেক ত্রৈমাসিকে বদল করা হয়। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে সুদের হার একই রেখেছে সরকার। বর্তমানে এই প্রকল্পে বছরে ৭.৫ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হচ্ছে। বিনিয়োগের মেয়াদ ১১৫ মাস তথা ৯ বছর ৭ মাস।

আরও পড়ুনঃ চার মাস ধরে স্ট্যাটাস ‘আন্ডার প্রসেস’! অন্নপূর্ণা যোজনা না পেয়ে সেবা সেতু ক্যাম্পে বিক্ষোভ

পোস্ট অফিস কেভিপি স্কিমের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এখানে খুব কম টাকা দিয়ে বিনিয়োগ শুরু করা যায়। মাত্র ১ হাজার টাকা দিয়ে কিষাণ বিকাশ পত্রে বিনিয়োগ শুরু করা যেতে পারে। সর্বোচ্চ বিনিয়োগের কোনও সীমা নেই। ১০ বছর বা তার বেশি বয়সী যে কোনও ভারতীয় নাগরিক এই প্রকল্পে টাকা রাখতে পারেন।

কিষাণ বিকাশ পত্রে সাধারণত ৯ বছর ৭ মাসের লক ইন পিরিয়ড থাকে। তবে বিনিয়োগকারীর মৃত্যু, আদালতের নির্দেশ সহ বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে ম্যাচিউরিটির আগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা যেতে পারে। বিনিয়োগের আড়াই বছর পর নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলে সুদ সহ টাকা ফেরত পাওয়া যেতে পারে। তবে তার আগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হলে টাকা পাওয়ার নিয়ম আলাদা হতে পারে ও পোস্ট অফিস সেভিংস অ্যাকাউন্টের সুদের হারের ভিত্তিতে সাধারণ সুদ দেওয়া হতে পারে।

এছাড়া বিনিয়োগকারীর যদি আচমকা টাকার প্রয়োজন হয়, তাহলে তিনি কেভিপি বন্ধক রেখে লোন নিতে পারেন। এর জন্য পোস্ট অফিসে একটি নির্দিষ্ট ফর্ম জমা করতে হয়। পাশাপাশি যে প্রতিষ্ঠানের কাছে কেভিপি বন্ধক রাখা হচ্ছে, তাঁদের সম্মতিও দরকার। বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে কিষাণ বিকাশ পত্র অন্যের নামে ট্রান্সফার করার সুবিধাও রয়েছে। তবে এই স্কিমে আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় কর ছাড়ের সুবিধা পাওয়া যায় না।

Post Office KVP scheme

পোস্ট অফিস কেভিপি স্কিমের হিসাব অত্যন্ত সহজ। এই প্রকল্পে যত টাকা বিনিয়োগ করা হয়, ১১৫ মাস পর তার দ্বিগুণ রিটার্ন পাওয়া যায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনও বিনিয়োগকারী যদি ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন, তাহলে তাঁর রিটার্নের পরিমাণ হবে ২ লাখ টাকা। একইরকমভাবে ৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে ১০ লাখ টাকা রিটার্ন পাওয়া যাবে।