বাংলাহান্ট ডেস্ক : সালটা ১৯৭১। লক্ষ লক্ষ স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশি এক অসম লড়াই লড়ছেন পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে। গোটা বাংলাদেশ (Bangladesh) জুড়ে তখন শুধুই হাহাকার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানের হাত থেকে নিজেদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে সবটুকু উজাড় করে দিয়েছিলেন হাজার হাজার বাঙালি যোদ্ধা। তবে পরিবর্তনের বাংলাদেশে এসব কিছুই যেন গল্পকথা।
ইউনূসের আমলে বাংলাদেশে (Bangladesh) গুরুত্বহীন বঙ্গবন্ধু
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সামান্য স্মৃতিটুকুও বাংলাদেশের মাটিতে রাখতে নারাজ সে দেশের সরকার থেকে শুরু করে বিভিন্ন মৌলবাদী সংগঠন। ইউনূস সরকারের আমলে বাংলাদেশের দিকে দিকে ভাঙা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি। এমনকি সে দেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-সহ শত শত নেতার মুক্তিযুদ্ধের সনদ বাতিলের প্রস্তাবও দিয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। পাশাপশি, সেদেশের পাঠ্য বইয়েও আজ ম্লান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর ও ভারতের অবদানের প্রসঙ্গও।
আরও পড়ুন : একী কাণ্ড! বটানিক্যাল গার্ডেনে অবৈধভাবে গড়ে উঠছে মসজিদ-মাজার, কী জানাল কেন্দ্র?
তৎকালীন ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর তৎপরতায় ভারতীয় সেনাবাহিনী গিয়ে পৌঁছায় বাংলাদেশে। মুক্তিযোদ্ধাদের হয়ে লড়াইয়ের মাঠে নেমে পর্যদুস্ত করে পাক সেনা বাহিনীকে। বলা ভালো ভারতের সহায়তায় পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। তবে ইউনূস সরকারের আমলে সে দেশের পাঠ্য বই থেকে ভারতের অবদান ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর করার অভিযোগ ইতিমধ্যেই ভাবিয়ে তুলেছে বিশিষ্টদের।
আরও পড়ুন : SBI-র গ্রাহকেরা হয়ে যান সতর্ক! ১ এপ্রিল থেকেই বদলে যাচ্ছে নিয়ম, মিলবে না এই বড় সুবিধা
গতকাল বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইউনূসের উদ্দেশ্যে লেখা একটি চিঠিতে মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের কথাই যেন স্মরণ করিয়ে দিলেন আরও একবার। ইউনূসকে লেখা চিঠিতে মোদি বলেন, “আপনাকে ও বাংলাদেশের জনগণকে জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা। আমাদের দু’দেশের ইতিহাস এবং ত্যাগের প্রতীক আজকের এই দিন। আমাদের দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছিল এই দিনটি।”
এরই সাথে ইউনূসকে (Mohammad Yunus) চিঠিতে মোদি (Narendra Modi) লেখেন, “আমাদের সম্পর্কের জন্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে চলেছে। যা বিকশিত হয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। শান্তি, স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধির জন্য এবং একে অপরের স্বার্থ ও উদ্বেগের প্রতি পারস্পরিক সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে এই অংশীদারিত্বকে ত্বরান্বিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমরা।”