SSC নিয়ে চলছে মামলা! এরই মাঝে বহু চাকরি প্রার্থীর খুলল কপাল, নিয়োগ নিয়ে এল বিরাট নির্দেশ

Published On:

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ SSC নিয়ে তোলপাড় রাজ্যে। এরই মাঝে এবার প্রাথমিকের নিয়োগ নিয়ে বিরাট নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে একদিকে যেমন আশার আলো দেখছেন বহু চাকরিপ্রার্থী, অন্যদিকে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) রায়ে আশায় থাকা ওয়েটিং লিস্টের চাকরি প্রার্থীদের জন্য বড়সড় ধাক্কা।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক নিয়োগ সংক্রান্ত প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) রায় খারিজ করল সর্বোচ্চ আদালত। ২০১৪ সালের প্রাইমারি টেটের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাই কোর্টের একক বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আগে এই মামলায় শূন্যপদগুলিতে মামলাকারীদের মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন গঙ্গোপাধ্যায়। সেই নির্দেশ খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট জানা ওই শূন্যপদগুলিতে ভবিষ্যতের শূন্যপদ থেকে নিয়োগ হবে। ২০২২ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে ওই ৩ হাজার ৯২৯টি শূন্যপদ যোগ করে দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী নিয়োগ হবে বলে জানিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

২০২০ সালে ৩৯২৯ জন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ সামনে আসে। ২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে ২০১৬ এবং ২০২০ সালে দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়। ২০২০ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ১৬ হাজার ৫০০ শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিলেও অভিযোগ ওঠে ওই শূন্যপদ পুরোটা পূরণ করা হয়নি।
২০২০ সালের ১৬ হাজার ৫০০ জনের প্যানেলে ৩৯২৯ জনকে নতুন করে নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সেই নির্দেশ খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

বৃহস্পতিবার এই মামলা ওঠে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ঋষিকেশ রায় ও বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চে। দুই বিচারপতির বেঞ্চের নির্দেশ, ২০২০ সালের প্যানেলের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। এক্ষেত্রে ২০২২ সালে চাকরিপ্রার্থীদের এই প্যানেলে নিয়োগ আইনসঙ্গত নয়।

আরও পড়ুন: ভোটের মাঝেই ছক্কা! লক্ষীর ভাণ্ডার নিয়ে বিরাট ঘোষণা অভিষেকের, খুশিতে আত্মহারা সকলে

প্রসঙ্গত, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গেল বেঞ্চের দেওয়া নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যান ২০১৭ সালের টেট উত্তীর্ণরা। তাদের বক্তব্য ছিল, ২০২০ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গিয়েছে। এক্ষেত্রে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত। সেখানে ২০১৪ সালের পাশাপাশি ২০১৭ সালের টেট উত্তীর্ণদেরও সুযোগ দেওয়া উচিত। যদিও ডিভিশন বেঞ্চ একক বেঞ্চের রায়ই বহাল রাখে। এরপর সুপ্রিম কোর্টে যান ২০১৭ টেট উত্তীর্ণরা। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতেই হাইকোর্টের রায় খারিজ করে নয়া নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

Sharmi Dhar

শর্মি ধর, বাংলা হান্ট এর রাজনৈতিক কনটেন্ট রাইটার। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ।

সম্পর্কিত খবর

X