‘নিজে আসতে না পারলেও চলে এল বার্তা’! ‘লক্ষ কন্ঠে গীতাপাঠ’র আগে কী বললেন নরেন্দ্র মোদী?

বাংলা হান্ট ডেস্ক : কথা দিয়েও প্রায় শেষ মুহূর্তে সফর বাতিল করতে হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi)। প্রাথমিকভাবে সবাইকে হতাশা ঘিরে ধরলেও তা কাটিয়ে উঠেছে আয়োজকরা। প্রধানমন্ত্রী আসতে না পারলেও লক্ষ কণ্ঠের লক্ষ্য থেকে যে তারা সরছেন না সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তবে বিজেপি (BJP) সুপ্রিমোর দায়িত্ব কি এখানেই শেষ? মোটেও না, আর তাই তো কর্মী, সমর্থকদের চাঙ্গা করতেই চলে এল স্বয়ং নেতার বার্তা।

   

আজ রবিবার সকাল ১০টার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে অনুষ্ঠান। সূত্র বলছে প্রথমে ভজন পরিবেশন এবং তারপর শোভাযাত্রা করে আসবেন দ্বারকা মঠের শঙ্করাচার্য সদানন্দ সরস্বতী। এরপর সকাল ১১টা নাগাদ হবে গীতা আরতি। তারপর ভক্তদের সামনে বক্তৃতা রাখবেন সদানন্দ সরস্বতি। এরপর হবে নজরুলগীতি এবং শঙ্খবাদন। এবং অবশেষে শুরু হবে সমবেত গীতাপাঠ (Gita Path)।

এতবড় এই অনুষ্ঠানের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম হল সনাতন সংস্কৃতি পরিষদ। আয়োজকদের দাবি সমবেত কন্ঠে গান ও শঙ্খবাদন বাজানোয় বিশ্বরেকর্ড গড়বে আজ। এবং মূল অনুষ্ঠান লক্ষ কন্ঠে গীতাপাঠের ক্ষেত্রেও বিশ্বরেকর্ড হবে বলেই জানিয়েছেন আয়োজকরা। ইতিমধ্যেই দেশ বিদেশ থেকে অতিথিরাও চলে এসেছেন দাবি। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ পাড়ি দিয়েছে কলকাতার উদ্দেশ্যে।

আরও পড়ুন : বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলার এই ৫ জেলা! চোখের পলকে বদলে গেল দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া, IMD-র ভয়ঙ্কর রিপোর্ট

এতবড় এই কর্মকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং হাজির থাকবেন বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাঁকে সফর বাতিল করতে হয়। তবে সফর বাতিল হলেও তিনি তার কর্তব্যে অনড়। মূল কর্মসূচির আগের দিন রাতেই দলীয় কর্মী এবং আয়োজকদের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিলেন বার্তা। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘‘সনাতন সংস্কৃতি পরিষদ, মতিলাল ভারততীর্থ সেবা মিশন আশ্রম এবং অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদের উদ্যোগে কলকাতায় ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ কর্মসূচির যে আয়োজন করা হয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এটাই আমাদের সংস্কৃতির ঐতিহ্য। একইসঙ্গে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যও আমাদের শক্তি।সেই মহাভারতের সময় থেকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন, বর্তমান সময়েও গীতা আমাদের অনুপ্রাণিত করে। গীতা জ্ঞানের ভান্ডার। জীবনের চালিকাশক্তি।”

আরও পড়ুন : ‘মামলা লড়তে ২৭ লাখ…’, আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে বিকাশরঞ্জনকে তোপ কুণালের

 

modi geeta.jpg

এইদিন তিনি আরও লিখেছেন, ‘ভারতের সংস্কৃতি অনুযায়ী জীবনযাপনের এবং অগ্রগতির বহু পরস্পর সংযুক্ত পথ দেখায় গীতা। আমি নিশ্চিত, একসঙ্গে এত মানুষের কণ্ঠে গীতাপাঠ আমাদের সামাজিক সম্প্রীতিকেই আরও জোরদার করবে। দেশের উন্নয়ন-যাত্রার ক্ষেত্রেও যা আবশ্যক। উন্নত, শক্তিশালী ভারত গড়ে তোলার জন্য ২০৪৭ সাল পর্যন্ত সুযোগ আছে। ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ সকলের জন্য শান্তি নিয়ে আসুক। আয়োজকদের আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’

সম্পর্কিত খবর