রেশন দুর্নীতিতে জ্যোতিপ্ৰিয়র ‘খেলা’ উল্টে দিল ‘মেরুন ডায়েরি’! কার কাছে কত টাকা? ফাঁস করল ED

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে আগেই উদ্ধার হয়েছে একের পর এক রহস্যময় ডায়েরি (Diary)। গত বছর শেষের দিকে রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় ধৃত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাসের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় মেরুন রঙা এক ডায়েরি। ED-র হাতে আসা সেই মেরুন ডায়েরিতে বেশ কিছু টাকার লেনদেন সম্পর্কে তথ্য রয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। এবার মেরুন ডায়েরিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে বলে দাবি ED-র।

   

রেশন দুর্নীতির তদন্তে কিছুদিন আগে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাসের (CA Avijit Das) হাওড়ার বাড়ি থেকে মেরুন উদ্ধার হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। ইডি সূত্রে দাবি, ওই ডায়েরিতে যাবতীয় টাকা লেনদেনের হিসেব লেখা রয়েছে।

ইডি সূত্রে দাবি, জ্যোতিপ্রিয়র হয়ে টাকা তুলতেন তার প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাস। কোথায়, কাদের কাছ থেকে, কত টাকা তুলেছেন, মেরুন ডায়েরিতে সেই সব কিছুর উল্লেখ রয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। ED-র আরও দাবি, আগেই নিজের বয়ানে অভিজিৎ স্বীকার করে নিয়েছেন যে তিনি জ্যোতিপ্রিয়র হয়েই টাকা তুলতেন।

ওই মেরুন ডায়েরি থেকে ব্যবসায়ী হিতেশ চন্দকের থেকে টাকা তোলা হয়েছে বলেও উল্লেখ রয়েছে। এমনটাই ED সূত্রে খবর। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই টাকার বিষয়ে হিতেশ চন্দককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হিতেশ জানিয়েছেন, সমাজ সেবার নাম করে তার কাছ থেকে ওই টাকা তোলেন জ্যোতিপ্ৰিয়।

ওদিকে রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় ফের সক্রিয় ইডি। সোমবার সকালে একজোটে শহরের চার জায়গায় ইডি (Enforcement Directorates) হানা। সূত্রের খবর এদিন সল্টলেক সেক্টর ফাইভে রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত শঙ্কর আঢ্যর (Bangaon Municipality former chairman Shankar Adhya) হিসাব রক্ষকের (CA) অফিসে পৌঁছে গিয়েছে ইডি। প্রায় এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে চলছে তল্লাশি।

ed balu 9

আরও পড়ুন: লক্ষীর ভাণ্ডার অতীত! এবার মহিলাদের জন্য বিরাট পদক্ষেপ রাজ্যের, প্রতিদিন মিলবে ৩০০ টাকা

ওদিকে ধর্মতলার চৌরঙ্গি শঙ্কর আঢ্যর অফিসেও হানা দিয়েছে ইডি। সঙ্গে বিশাল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রয়েছেন। সূত্রের খবর, কিছুদিন আগেই শঙ্করবাবুর এই অফিস সিল করে দিয়ে গিয়েছিল ইডি। এদিন সেই সিল করা অফিস খুলেই তল্লাশিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার গোয়েন্দারা। কিভাবে বিদেশী মুদ্রার বিনিময় হত এই বিষয়ে তথ্য জানতেই হানা বলে মনে করা হচ্ছে।