‘গোহত্যা হারাম’, এখনও গোমাংস ঢোকে না বাড়িতে, মৌলবাদীদের একহাত নিয়ে মন্তব্য সলমনের বাবার

Published on:

Published on:

বাংলাহান্ট ডেস্ক : বলিউডের খ্যাতনামা পরিবারগুলির মধ্যে অন্যতম সলমন খানের (Salman Khan) পরিবার। ফিল্মি পরিবারের ছেলে তিনি। বাবা সেলিম খান ছিলেন ইন্ডাস্ট্রির নামজাদা চিত্রনাট্যকার। এখন অবশ্য বয়সের কারণে আর কাজ করেন না তিনি। ছেলেরাই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পরিবারের ঐতিহ্য। সম্প্রতি গণেশ পুজো উপলক্ষে চর্চায় উঠে এসেছিলেন সেলিম খান, সলমন খান (Salman Khan) সহ সমগ্র খান পরিবার।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে বিয়ে করেন সলমনের (Salman Khan) বাবা সেলিম

গণেশ পুজোর জন্য মৌলবাদীদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল সলমন খানকে (Salman Khan)। যদিও ভিনধর্মী হলেও প্রতি বছরই ধুমধাম করে বাড়িতে গণেশ আরাধনা করে থাকেন তিনি। তবে জানলে অবাক হবেন, সেলিম খানের স্ত্রী সলমা খান আসলে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন। বিয়ের আগে তাঁর নাম ছিল সুশীলা চরক। সেলিম সম্প্রতি জানান, সলমার পরিবার প্রথমে এই বিয়েতে পায় দেয়নি। সেলিম নিজেই আশ্বস্ত করেছিলেন যে, ধর্ম তাঁদের বিয়ে বা ভালোবাসায় কোনও বাধা হয়ে যাবে না।

Salman Khan father said they don't eat beef

আগেও করতেন গণেশ পুজো: সেলিম জানান, ছোট থেকে হিন্দু সংষ্কৃতি দেখে বড় হয়েছেন তিনি। আগে থেকেই দীপাবলি বা গণেশ চতুর্থীর মতো উৎসবে মেতে উঠতেন তিনি। এমনকি সলমার সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই নাকি গণেশ পুজো করতেন তিনি। শুধু তাই নয়, গোমাংস ভক্ষণ নিয়েও তাঁর মন্তব্য নিয়ে শোরগোল পড়েছে।

আরও পড়ুন : একাধিক রুটে বাতিল লোকাল ট্রেন, ৮ দিন ধরে যাত্রী ভোগান্তির আশঙ্কা

কী বললেন সেলিম: সেলিমের কথায়, গরু খুবই পবিত্র। গরুর দুধ হল মাতৃদুগ্ধের বিকল্প। গোহত্যা সম্পূর্ণ হারাম। তিনি স্পষ্ট বলেন, তাঁদের বাড়িতে এখনও গোমাংস এখনও খাওয়া হয় না। বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকারের (Salman Khan) এই মন্তব্যে শোরগোল পড়েছে বিভিন্ন মহল। মৌলবাদীদের রক্তচক্ষু উড়িয়ে তিনি যেভাবে স্পষ্ট ভাষায় নিজের বক্তব্য রেখেছেন তাতে অনেকেই তাঁর প্রশংসা করেছেন। 

আরও পড়ুন : মাত্র ১৩০০ টাকায় বাংলাদেশের চওড়া পেটির ইলিশ! পুজোর আগেই বড় সুখবর দিলেন মৎস্যজীবীরা, কবে কমবে দাম?

প্রসঙ্গত, প্রত্যেক বছরই ধুমধাম করে গণেশ পুজো হয় খান পরিবারে। যদিও বিগত কয়েক বছর ধরে এই পুজোর দায়িত্ব নিয়েছেন বোন অর্পিতা খান শর্মা। নিজের বাড়িতে তিনি ফি বছর গণেশ পুজো করেন মহা আড়ম্বরে। সমগ্র খান পরিবার অংশ নেয় সেই পুজোয়।