বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দাগিদের জন্যই ২৬০০০ চাকরি বাতিল, সেই দাগিরাই ফের নয়া নিয়োগ প্রক্রিয়ায়? সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশের পরও একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল সামনে আসতেই দেখা গেল অনেক ‘অযোগ্যে’র নাম রয়েছে পরীক্ষার্থী হিসাবে। তারপরই নড়েচড়ে বসে কমিশন (School Service Commission)। তেমনই ২৬৯ জনকে চিহ্নিত করে এসএসসি (SSC)।
‘দাগি’ বা ‘অযোগ্যদের’ চিহ্নিত করে জারি বিজ্ঞপ্তি | School Service Commission
সূত্রের খবর, ‘দাগি’ বা ‘অযোগ্যদের’ নাম নথি যাচাইয়ের সময় সামনে আসে। শুক্রবার এসএসসি তরফে এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। বলা হয়, নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। সেই পর্বে চিহ্নিত ‘অযোগ্যরা’ পরীক্ষায় বসেছিলেন কি না, সেই বিষয় দেখা হচ্ছে। অযোগ্যদের খুঁজে বার করে তালিকা বাদ দেওয়ার কথাও জানায় কমিশন।
এই ২৬৯ জনের পরেও যদি কারও মনে হয় তালিকায় আরও চিহ্নিত ‘অযোগ্য’ চাকরিপ্রার্থীর নাম রয়ে গিয়েছে তবে তা কমিশনকে জানানোর কথা বলা হয়েছে। এসএসসি জানিয়েছে, নাম এলে তা যাচাই করে দেখে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
একাদশ ও দ্বাদশে এসএসসি (School Service Commission) লিখিত পরীক্ষার পর শিক্ষক নিয়োগের জন্য পরীক্ষার্থীদের নথি যাচাই শুরু হয়েছে। মোট ৩৫টি বিষয়ের মধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত ৩১টি বিষয়ের চাকরিপ্রার্থীদের নথি যাচাই শেষ হয়েছে। বাংলা এবং ইংরেজির ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও বেশ কিছু বিষয়ের নথি যাচাই বাকি রয়েছে। ফলত ‘দাগি’ চাকরিপ্রার্থী তালিকা আরও লম্বা হতে পারে। ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে নথি যাচাই প্রক্রিয়া চলবে।
আরও পড়ুন: রাজ্যকে ৭ দিনের ডেডলাইন! রিপোর্ট দিতে কঠোর নির্দেশ হাই কোর্টের, কোন মামলায়?
নিয়োগে দুর্নীতির কারণে গত এপ্রিল মাসে ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এক ধাক্কায় প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নতুন করে পরীক্ষা নেয় এসএসসি। দীর্ঘ ৯ বছর পর শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নেয় স্কুল সার্ভিস কমিশন। যেখানে চাকরিহারাদের পাশাপাশি পরীক্ষা দেয় নতুনরাও।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্পষ্ট বলা হয়েছিল, ‘দাগি’ হিসাবে চিহ্নিতদের কোনও ভাবেই নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অংশ নিতে দেওয়া যাবে না। পাশাপাশি তাদের বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশেও দেওয়া হয়।












