বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে সরগরম গোটা দেশের রাজনৈতিক মহল। এই তালিকায় রয়েছে বাংলার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাকেই কার্যত তুলধোনা করে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) এদিন বললেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত একজন এত উঁচু মাপের জনপ্রিয় নেত্রী। এত জন-সম্মোহিনী ক্ষমতা, যিনি দুর্দণ্ডপ্রতাপ সিপিএমকে উপড়ে ফেলেছেন পশ্চিমবঙ্গের কোথাও তাঁর দলের একটা ঝান্ডা আছে?’
মমতা তৃণমূলকে কটাক্ষ শমীক ভট্টাচাযর্যের
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শমীক ভট্টাচার্য এদিন আরও বললেন, ‘দলের পতাকা বাঁধার লোক নেই! নাম নেই, গোত্র নেই ,বর্ণ নেই, কোথা থেকে আসছে অতীতের স্মৃতি নেই, ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নেই, মাথার উপরে ছাদ নেই, প্রতীক নেই, খেলুন না উনি। প্রতিবারই তো শুনি খেলা হবে। এইতো খেলা দেখালেন। যিনি বলেছিলেন ডিজে বাজাবেন তিনি এখন ঘরের কোণে সুখী গৃহকোণে করুণ সুরে বাঁশি বাজাচ্ছেন।’
বলা হচ্ছে রাজ্য বিজেপি নাকি ভয় দেখাচ্ছে। ভয় দেখিয়ে বা বিজেপিতে যোগ না দিলে যোগাযোগ না রাখলে গ্রেফতার করা হবে। এই প্রশ্ন শুনেই শমীক ভট্টাচার্য এদিন সটান বলে দিলেন, ‘বিজেপি কাউকে নিচ্ছে না। বিজেপিতে কাউকে নিয়ে ওই ডিম খাওয়ার কোন ইচ্ছা আমাদের নেই। কারণ আমার বয়স হয়েছে, মাথার চুল কমে গেছে। আমার মাথায় ডিম পরুক এটা অন্তত আমি চাইবো না।’
আরও পড়ুনঃ ‘ভাইপোকে টাকা তোলার মেশিন বানিয়েছিলেন’! মমতাকে গ্রেফতার করার দাবি তুললেন অর্জুন
অন্যদিকে সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। এই প্রশ্ন শুনেই বিজেপি নেতার দাবি ওটা, ‘মা-মেয়ের ব্যাপার আছে, ওটা একটা অন্য ব্যাপার। কংগ্রেস তৃণমূলের ব্যাপারটাই অন্য। ও শূন্য, এও শূন্য। দুজন মিলেমিশে একটা বড় শূন্য। বড় মাপের রসগোল্লা দেখেছেন তো তাই।’
সম্প্রতি ইডির বিবৃতিতে দেখা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ টাকা গিয়েছে। এপ্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্যের কটাক্ষ, ‘সে তো যাবেই। পিডি সিবিআইকে নিয়েই তো তৃণমূল। তো তৃণমূল থাকবে, আর লুট থাকবে না! তৃণমূল থাকবে ব্যাংক একাউন্ট এদিক-ওদিক হবে না। দুর্নীতি আর তৃণমূল তো সমর্থক।’
কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম কখনও ইডির বিবৃতিতে আসেনি, এই প্রথম দেখা গেল। ইন্দ্রনীল সেনের দাবি রয়্যালটি বাবদ এই টাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে এসেছে। দেখুন প্রতিভাবান ব্যক্তিরা কোথা থেকে কে রয়্যালটি পান, তা- ত আমরা জানি না। আর এরা সবাই বনেদি বড়লোক। আমার একটা বনেদি গরিব হবার ইতিহাস আছে । সেই জন্য আমরা ওইগুলো বুঝিনা। বড়লোকেদের ব্যাপার।













