বিশ্বকাপ ফাইনালের বদলা নিলো ভারত! ৪-১ ফলে অজিদের উড়িয়ে সিরিজ জিতলেন সূর্যকুমাররা

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ ব্যাঙ্গালোরে ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া (India vs Australia) পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ও নিয়ম রক্ষার ম্যাচে ব্যাটারদের দাপট দেখা যাবে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু এই ম্যাচে মূলত বোলাররাই নজর কাড়লেন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর শ্রেয়স আইয়ারের (Shreyas Iyer) ব্যাট, মুকেশ কুমারের (Mukesh Kumar) বোলিং এবং অক্ষর প্যাটেলের (Axar Patel) অসাধারণ অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ভর করে ৪-১ ফলে ৩০ জিতল ভারতীয় দল (Indian Cricket Team)।

   

আজ প্রথমে ব্যাট করে ভারতীয় দল বিপাকে পড়েছিল পরপর উইকেট হারিয়ে। কিন্তু শ্রেয়স আইয়ারের হাফসেঞ্চুরির সাথে অক্ষর প‍্যাটেলের ৩১ রানের ইনিংসে ভর করে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ১৬১ রানের লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছিল ভারত। এরপর বেন ম্যাকডারমট পাঁচটি ছক্কা সহ ৩৬ বলে ৫৪ রান করে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের রাস্তায় রাখলেও মুকেশ কুমারের ৩ উইকেটের পর অর্শদীপ সিংয়ের দারুণ ডেথ বোলিংয়ে জয় পেয়েছে ভারত। নিজের ৪ ওভারে কৃপণ বোলিং করে মাত্র ১৪ রান দেওয়ার পাশাপাশি টিম ডেভিডের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটি নিয়েছিলেন অক্ষর।

টি-টোয়েন্টি ফরম‍্যাটে নিজের ওডিআই ফরম্যাটের সফলতার প্রতিফলন ঘটাতে পারেননি শ্রেয়স আইয়ার। ফলে নিন্দুকদের পক্ষে তার সম্পর্কে মন্তব্য করাটাও অত্যন্ত সহজ হয়ে উঠেছিল। তারপর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চলতি সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে ঈশান কিষাণের জায়গায় দলে এসে ব্যর্থ হওয়া অনেকের মনে আগে উল্লেখিত ধারনাটা আরও বদ্ধমূল করে তুলেছিল।

shreyas t20

কিন্তু সিরিজের পঞ্চম ম্যাচে এসে জবাব দিলেন শ্রেয়স। রিঙ্কু, যশস্বী, সূর্যকুমার, রুতুরাজদের একসাথে ব্যর্থ হওয়ার দিনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ হাফ সেঞ্চুরি করে নিয়ম রক্ষার ব্যাচ হলেও ভারতীয় দলকে ১৬১ রানের টার্গেট সেট করতে সাহায্য করেন। থার্ড ইনিংসটি না থাকলে হয়তো ভারতীয় দল ১৪০ রানের গণ্ডিও টপকাতে পারতো না। এদিন ব্যাট হাতে ৩৭ বলে পাঁচটি চার এবং দুটি ছক্কা সহ ৫৩ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন শ্রেয়স। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ পড়া অক্ষর প্যাটেল নিজেকে প্রমাণ করার জন্য ২১ বলে ৩১ সানের ইনিংস টি না খেললেও ভারত চাপে পড়তে পারতো।

মুকেশ কুমার দিন দিন নিজেকে অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে যাচ্ছেন। আজ কঠিন সময়ে বোলিং করে নিজের শেষ দুই ওভারে মাত্র ১২ রান দেন মুকেশ। সাথে ওই সময়ে নেন ২টি উইকেট। ম্যাচ ওখানেই পরিবর্তন হয়ে যায়। সেই সঙ্গে শেষ ওভারে অর্শদীপ বহুদিন পর ভালো বোলিং করে ডেথ ওভারে ১০ রান ডিফেন্ড করলেন।