বাংলাহান্ট ডেস্কঃ জ্যৈষ্ঠের খরতাপে যখন চারিদিক পুড়ছে সেই জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমার দিনে জগন্নাথ (Jagannath) দেব ১০৮ কলস জল দিয়ে স্নান করেন। এই স্নানই জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা (snanyatra) নামে পরিচিত। দিনটিকে বলা হয় দেবস্নানা পূর্ণিমা।
স্কন্দপুরাণ অনুসারে, পুরী রাজ ইন্দ্রদুম্ন জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রার প্রবর্তক। এই দিন দারুব্রহ্মকে স্নান করানো হয় বলেই এর নাম দেবস্নানা পূর্ণিমা। এটি বৈষ্ণবদের জন্য একটি অত্যন্ত শুভ দিন। এদিন জগন্নাথ দেবের দর্শন করলে গত জন্ম ও এই জন্মের সব পাপ বিনাশ করেন শ্রীকৃষ্ণ। যিনি পুরীতে দারিব্রহ্ম রূপে অবস্থান করেন।
স্নান পর্ব সম্পন্ন হওয়ার পর গজবেশে সাজানো হয়। এরপর জগন্নাথ ১৫ দিন প্রভু অসুস্থ হয়ে (জ্বরে আক্রান্ত হয়ে) লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকেন যা অবসর বা অনাসর কাল নামে পরিচিত।
২৩ জুন, ৮ আষাঢ় রথযাত্রা উৎসব পুরীতে যথা নিয়মেই হবে কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে উপস্থিত থাকতে পারবেন না কোনো ভক্ত। প্রথমবার ভক্তদের উপস্থিতি ছাড়াই রথে চড়বেন জগৎপতি । শনিবার প্রশাসনের সঙ্গে জগন্নাথদেবের মন্দির পরিচালনা কমিটির বৈঠকের পর পুরীর গজপতি দিব্যা সিং দেব একথা জানিয়েছেন। সেবাইত, পুলিশ ও প্রশাসনের উপস্থিতিতেই হবে স্নান যাত্রা ও রথযাত্রা। তবে সেই দৃশ্যের সরাসরি সম্প্রচার হবে।
অন্যদিকে ৬২৪ বছরের ঐতিহ্য মন্ডিত মাহেশের রথযাত্রা এবারের মত স্থগিত করা হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, যে হেতু এই মেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর বিরাট জনসমাগম হয় তাই করোনা পরিস্থিতিতে মেলা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।