নেইমার ফিরলেও ব্রাজিলকে হারিয়ে অঘটনের আশায় সনের দক্ষিণ কোরিয়া

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্ক: টুর্নামেন্টের শুরুটা খারাপ হলেও পরপর তিন ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা। অপরদিকে বিশ্বকাপের শুরুটা দুর্দান্তভাবে করলেও ‘শেষ ১৬’-র ম্যাচে নামার আগে চাপে রয়েছে ব্রাজিল। টুর্নামেন্টের দুটি ম্যাচে জয় পাওয়ার পর তৃতীয় ম্যাচে ক্যামেরুনের বিরুদ্ধে ভালো খেলেও হারের মুখ দেখতে হয়েছে তাদের।

   

যদিও সেই ম্যাচে ব্রাজিল নিজেদের সবচেয়ে শক্তিশালী একাদশ নামায়নি। কিন্তু যারা মাঠে নেমে ছিলেন প্রত্যেকেই যোগ্য ফুটবলার ছিলেন এবং যে কোন বড় দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখেন। তারপরে অসংখ্য সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ব্রাজিলের ফুটবলাররা এবং শেষমুহূর্তে গোল করে ক্যামেরুনের অধিনায়ক আবুবাখার ক্যামেরুনকে ঐতিহাসিক জয় এনে দিয়েছিল।

আজ ভারতীয় সময়ে রাত ১২.৩০ নাগাদ মাঠে নামবে ব্রাজিল এবং তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকবে দক্ষিণ কোরিয়া। পর্তুগালকে হারিয়ে বিশ্বকাপের এই পর্বে পৌঁছেছে হিউন মিন সনরা। তাদেরকে কোনোভাবেই হালকা হিসেবে নেওয়ার ভুল করতে চাইবেন না নেইমাররা। নেইমার এবং রাইট ব্যাক ড্যানিলোর প্রথম একাদশে ফেরা এক প্রকার নিশ্চিত। কিন্তু চোটের কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন লেফট ব্যাক অ্যালেক্স টেলেস এবং স্ট্রাইকার গ্যাব্রিয়েল জেসুস। তাতে ব্রাজিলিয়ান স্কোয়াডের গভীরতা একটু কমলেও তাদের ওপর থাকছে বিশাল প্রত্যাশা চাপ।

কোরিয়া গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলিতে দেখিয়েছে যে তারা সেট-পিস কাজে লাগানোর ক্ষমতা রাখে। তাদের স্ট্রাইকার গিউ সাং চো হেডে গোল করায় অত্যন্ত দক্ষ। ভালো ফর্মে রয়েছেন অধিনায়ক হিউন মিন সন এবং স্ট্রাইকার হি চান হোয়াং। ব্রাজিলকে হারিয়ে অঘটন ঘটানোর ক্ষমতা তাদের রয়েছে এবং সেই লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে তারা।

অপরদিকে আজকের প্রথম ম্যাচে এশিয়ান জায়ান্টস জাপানের মুখোমুখি রাশিয়া বিশ্বকাপের রানার্স আপ ক্রোয়েশিয়া। স্পেন এবং জার্মানির মতো দেশকে পেছনে ফেলে নিজেদের গ্রুপে শীর্ষস্থান দখল করেছিল জাপান। অপরদিকে ক্রোয়েশিয়ার এবারের দলে নিঃসন্দেহে তাদের গতবারের ফাইনালিস্ট দলের থেকে কিছুটা হলেও দুর্বল। মাঝমাঠে লুকা মদ্রিচ অসাধারণ ফর্মে থাকলেও সামনের দিকে ভালো গোল স্কোরারের অভাব রয়েছে। টুর্নামেন্টের দুটি ম্যাচে গোলের দেখা পায়নি ক্রোয়েশিয়া। অপরদিকে প্রায় প্রতিটা ম্যাচেই দ্বিতীয়ার্ধে জাপানের ডোয়ান, মিনামিনোরা মাঠে নেমে ম্যাচ বদলে দিচ্ছেন সেটা দেখে একটু চাপেই থাকবে জলিটকো ডালিচের দল।