বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কৃষক বন্ধুর (Krishak Bandhu) টাকা যাতে কোনও অযোগ্য না পায়, তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার। সেই কারণে রাজ্যে পালাবদলের পরেই এই প্রকল্পের (Government Scheme) ভেরিফিকেশন শুরু হয়েছে। এবার যোগ্য কৃষকদের অ্যাকাউন্টে কবে টাকা ঢুকবে, সেই নিয়ে সামনে এল বড় আপডেট।
কৃষক বন্ধু থেকে বাদ ১৫ লক্ষ নাম | (Krishak Bandhu)
রাজ্যের কৃষি দফতরের দায়িত্ব পাওয়ার পরেই কৃষক বন্ধু ও বাংলা শস্য বিমা প্রকল্পের তালিকা ভালো মতো যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল। সেই সূত্রে একের পর এক গরমিল সামনে আসতে থাকে। কোনও ক্ষেত্রে দেখা যায়, অকৃষক ও চাকরিজীবীরা এতদিন টাকা নিচ্ছিলেন। কিছু কিছু আবার সামনে আসে, একই পরিবারের একাধিক সদস্য আলাদাভাবে প্রকল্পের সুবিধা নিচ্ছিলেন বা জমি বিক্রি হয়ে যাওয়ার পরেও পুরনো তথ্যের ভিত্তিতে সুবিধা বজায় ছিল।
আরও পড়ুনঃ ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল’, পুলিশ জানাতেই মামলা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট
এইসব গরমিল সামনে আসার পরেই তালিকা থেকে অযোগ্যদের নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ইতিমধ্যেই নবান্নের নির্দেশ মতো প্রায় ১৫ লক্ষ নাম বাদ দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এতদিন কৃষক বন্ধু প্রকল্পে প্রায় ১ কোটির বেশি উপভোক্তা ছিল। ঝাড়াই-বাছাইয়ের পর সেখান থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি যোগ্য কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দুর্গাপুজোর আগেই কৃষক বন্ধুর টাকা পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। যদিও এখনও অবধি এই নিয়ে চূড়ান্ত দিনক্ষণ জানিয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। ফলে যতদিন না সেটা হচ্ছে, ততদিন নির্দিষ্ট করে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

সোমবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে কৃষক বন্ধু প্রকল্প নিয়ে বেশ কিছু ঘোষণা করেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী। দুধকুমার জানান, এই প্রকল্পে আবেদনের সময়সীমা আরও ১০ দিন বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষক বন্ধুর সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়মেও বদল আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।













