বাংলাহান্ট ডেস্ক : চার পাঁচদিনের উৎসব শেষে মা দুর্গা ফিরলেন কৈলাসে। কলকাতায় যেকটি বাড়িতে ঐতিহ্যবাহী পুজো হয়ে আসছে তার মধ্যে অন্যতম সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের (Sudipa Chatterjee) বাড়ির পুজো। প্রতি বছরই নিয়ম নিষ্ঠা মেনে পুজো হয় চট্টোপাধ্যায় বাড়িতে। এই পুজোর ভোগের কী মাহাত্ম্য তা খোলসা করলেন সুদীপা।
সুদীপার (Sudipa Chatterjee) বাড়ির পুজোর ভোগে ইলিশ
সুদীপা জানান, তাঁদের ইলিশ খাওয়া হয় দুর্গাপুজোর সময়কে ঘিরেই। পুজোয় দুদিন ইলিশ হয় তাঁদের বাড়িতে। নবমীতে মাকে পদ্মার ইলিশ খাওয়ান তাঁরা আর দশমীতে হয় গঙ্গার ইলিশ। এদিন ইলিশ মাছ ভাজা, ইলিশের তেল, কচুর শাক, পান্তা ভাত আর শাপলার টক হয় ভোগে। কিন্তু এমন ভোগ কেন?

কেন এমন ভোগ: সুদীপা বলেন, শিব যদি জিজ্ঞাসা করেন, ‘তোমার মা তোমাকে কী খাইয়েছেন?’ তখন মা কীভাবে বলবেন যে তিনি এত মাছ মাংস খেয়েছেন। তখন দেবী দুর্গা শিব ঠাকুরকে বলেন, ‘কিছুই খাইনি তেমন। একটু পান্তা ভাত আর মাছ ভাজা।’ মাকে যাতে মিথ্যে না বলতে হয় তার জন্যই এই পান্তা ভাত দেওয়ার নিয়ম বলে জানান সুদীপা।
আরও পড়ুন : বড় রান চেজ করতে নামলেই ব্যর্থ, নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এই লজ্জা ঘোচানোর লক্ষ্যে মাঠে নামছে অভিষেক শর্মা
দুর্গাপুজোতেই শেষ ইলিশ: সুদীপা (Sudipa Chatterjee) বলেন, দশমীর দিন মায়ের সঙ্গে বসেই বছরের শেষ ইলিশ মাছ খান তাঁরা। তাঁদের বিশ্বাস, মা দুর্গা জলে পড়ে গেলে আর ইলিশ খাওয়া যায় না। আবার বসন্তকালে সরস্বতী পুজোর সময় ইলিশ মাছ খাওয়া যায়।
আরও পড়ুন : মুখে রুচি ফেরাবে, স্বাদেও দুর্দান্ত, চেখে দেখুন এই ভর্তা
ছানার মিষ্টি হয় না চট্টোপাধ্যায় বাড়ির পুজোয়। তার বদলে হয় ক্ষীরের মিষ্টি বা পায়েস। ভাসান থেকে এসে সকলে মিলে পাঁঠার মাংসের কিমার ঘুগনি আর চন্দ্রপুলি খান সুদীপারা।














