বাংলাহান্ট ডেস্ক: একাধারে তিনি সঞ্চালিকা আবার চিত্রনাট্য লেখিকা। সেই সঙ্গে দশভূজার মতোই সংসারও সামলে। আবার সদ্য নিজের ব্যবসাও শুরু করেছেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায় (sudipa chatterjee)। শাড়ি থেকে শুরু করে গয়না কিংবা গয়না বড়ি, সবই পাবেন এক ছাদের তলায়। এবার আরো এক নতুন আইটেম যোগ হল ‘ব্র্যান্ড সুদীপা চট্টোপাধ্যায়’এ।
স্বামী অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়ের নিজের হাতে ডিজাইন করা ডোকরার তৈরি মা দূর্গা ও রাবণের মূর্তি নিয়ে এলেন সুদীপা। সঙ্গে জানিয়ে দিলেন এই মূর্তিগুলির বিশেষত্ব এবং উপকারিতার কথাও। সুদীপার দাবি, মা দূর্গার এই মূর্তি সব বিপদ থেকে পরিবারের রক্ষা করবে।

দশানন রাবণের মূর্তিরও একটি বিশেষত্ব রয়েছে। এটির পেছনেও একটি মুখ আছে, যা গোপন শত্রুর হাত থেকে বাঁচাবে বলে সুদীপার বিশ্বাস। তাঁর কথায়, ‘গুপ্তশত্র, জ্ঞাতিশত্রু, কোনোরকম চক্রান্ত, তন্ত্র-মন্ত্র, কোনোটাই কাজে লাগবে না,যদি এই মূর্তি- প্রবেশদ্বারের একদম মুখোমুখি রাখা যায়। যাতে যেই আপনার বাড়ীতে ঢুকুক- প্রথমেই যেন এই রাবণে নজর যায়। ব্যাস! তাতেই কেল্লাফতে।’
সুদীপার স্টোরে একই ছাদের তলায় মেলে হরেক কিসিমের হ্যান্ডলুমের জিনিস পাওয়া যাবে। শাড়ি, গয়না থেকে শুরু করে ঘি, আচার পর্যন্ত সব। আপাতত বেনারসী, টাঙ্গাইল, ঢাকাই শাড়ি দিয়ে শুরু করেছেন সুদীপা। ধীরে ধীরে বাড়বে কালেকশন। সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভের মাধ্যমে জিনিস বিক্রি করেন সুদীপা। প্রথম প্রথম এর জন্য ট্রোলের মুখেও পড়তে হয়েছিল তাঁকে।
সম্প্রতি গণেশ চতুর্থীতে নিজের স্টোরে প্রথম বার গণেশ পুজো করেন সুদীপা। নিজে হাতে করে লাল চেলি দিয়ে গণপতিকে মুড়ে দোকানে এনে প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। নিষ্ঠাভরে পুজো সারেন সিদ্ধিদাতার। মায়ের সঙ্গে এদিন গণেশের আরাধনায় যোগ দিয়েছিল সুদীপার ছোট্ট গণেশ আদিদেব চট্টোপাধ্যায়ও।