‘তালিকা চাই’, রাজ্যকে সুপ্রিম-নির্দেশ! ভোটের মধ্যেই উপাচার্য নিয়োগ মামলায় নয়া মোড়

   

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের অধীনস্থ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা চলছে। এবার সেই মামলাতেই বিরাট নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। রাজ্যের ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের (Vice Chancellors) নাম ঠিক করতে বললো আদালত। শুধু তাই নয়, পরবর্তী শুনানির দিন সেই তালিকাও আদালতে জমা দিতে বলেছে বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপত কে ভি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চ।

মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানি চলাকালীনই মৌখিকভাবে একথা বলে বিচারপতি কান্ত এবং বিচারপতি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চ। উল্লেখ্য, এর আগে শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে রাজ্যের ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নাম ঠিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম।

আগামী শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেদিন ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নামের তালিকা জমা দিতে বলেছে শীর্ষ আদালত। এদিন শুনানির সময় রাজ্যের রাজ্যপাল তথা রাজ্যের সকল বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্যের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতি কান্ত বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলি আমার অথবা আপনার নয়। এগুলি জনগণের। তাই সকল বিতর্ক ভুলে উপাচার্যদের নিয়োগ করতে হবে’।

আরও পড়ুনঃ ব্যাগ থেকে ছুরি বের করেই…! দিনেদুপুরের হাওড়া স্টেশনে মহিলাকে কুপিয়ে খুন! শোরগোল

উল্লেখ্য, রাজ্যের তরফ থেকে নিজেদের পছন্দ অনুসারে উপাচার্য নিয়োগ করা হয়েছিল। সেই নিয়োগ বাতিল হওয়ার পর রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নিজের পছন্দ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ করেন। রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দফতরের তালিকা না মেনে রাজ্যপাল নিজের পছন্দ অনুযায়ী উপাচার্য নিয়োগ করায় নবান্ন এবং রাজভবনের মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়।

Supreme Court

সেই সংঘাতই এখন শীর্ষ আদালতের দোরগোড়ায় এসে পৌঁছেছে। অন্যদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে আবার নিজেদের পছন্দ অনুসারে অধ্যাপক বুদ্ধদেব সাউকে অন্তর্বর্তী উপাচার্য পদে নিয়োগ করা হলে তাঁকে আচমকা সরিয়ে দেন রাজ্যপাল। সেই  সময় অধ্যাপক বুদ্ধদেবের পাশে দাঁড়িয়েছিল উচ্চ শিক্ষা দফতর।

Sneha Paul
Sneha Paul

স্নেহা পাল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তরের পর সাংবাদিকতা শুরু। বিগত প্রায় ২ বছর ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর