মাথায় বাজ সরকারি কর্মীদের! DA মামলায় অবশেষে বিরাট নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আন্দোলনরত রাজ্য সরকারি কর্মীদের দাবি খারিজ! ডিএ (DA) নিয়ে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গিয়েছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা (State Government Workers)। তবে গতকাল তাদের আর্জি খারিজ করে দিল সর্বোচ্চ আদালত। ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

দশম বারের জন্য পিছিয়ে যায় ডিএ মামলার শুনানি

   

প্রসঙ্গত গত ৩ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে দশম বারের জন্য পিছিয়ে যায় ডিএ মামলার শুনানি। পরের বছর ফেব্রুয়ারি মাসে ফের এই মামলাটি সর্বোচ্চ আদালত শুনবে বলে জানিয়ে দেয়। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ইস্যুতে উত্তাল বাংলা। একদিকে কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার (Dearness Allowance) দাবিতে পথে নেমে আন্দোলন চালাচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। ৩০০ দিন পার করেছে সেই আন্দোলন।

রাজ্যের হয়ে ডিএ মামলা লড়ছেন হেভিওয়েট আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি

ডিএ মামলার শুনানির দিকে চেয়ে বসে রয়েছেন রাজ্যের সকল সরকারি কর্মচারী ও পেনশনারগণ। আর ওদিকে বারংবার পিছিয়ে যাচ্ছে শুনানি। এদিন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বর্তমানে রাজ্যের তরফে ডিএ মামলা লড়ছেন হেভিওয়েট আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি।

আরও পড়ুন: CBI-ED সমন্বয়ের অভাব! ‘আর একটা সারদা চাই না’, প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় বললেন বিচারপতি

আগে যা হয়েছিল

প্রসঙ্গত,২০২২ সালের নভেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্টেই মামলা দায়ের করা হয়। কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। প্রথমে ২০১৬ সালে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইনবুনালে মামলা করা হয় তারপর ২০২২ সালের মে মাসে হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় আগামী তিন মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দিয়ে দিতে হবে।

sc 8

এরপর এই রায় পুনরায় বিবেচনার জন্য আর্জি জানায় রাজ্য। রাজ্য সরকারের যুক্তি ছিল, হাই কোর্টের সিদ্ধান্ত মেনে ডিএ দিতে হলে প্রায় ৪১ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। যা এই সময়ে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারের পক্ষে বহন করা কঠিন। তবে হাইকোর্টে রাজ্যের আর্জি খারিজ হয়ে যায়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ না মেটানোয় রাজ্যের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যায় তিনটি রাজ্য সরকারি কর্মচারী সংগঠন। এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করে রাজ্য। তারপর থেকে একাধিকবার মামলাটি উঠলেও শুনানি হয়নি।