বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বহু শিক্ষক অনেক বছর ধরে স্কুলে পড়াচ্ছেন। কিন্তু তাঁদের অনেকেরই টেট পাশ করা নেই। কারণ, তাঁরা চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন টেট চালু হওয়ার আগেই। গত বছর সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানায়, কর্মরত শিক্ষকদেরও টেট পাশ করতে হবে। সেই রায়ের বিরুদ্ধেই এবার রিভিউ বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়েছে। আজ সেই মামলার শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। তাই পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের শিক্ষকরা এখন এই মামলার দিকেই তাকিয়ে।
টেট মামলায় আজ সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গুরুত্বপূর্ণ শুনানি
গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানায়, প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানোর জন্য টেট বাধ্যতামূলক। যাঁরা এখন চাকরি করছেন কিন্তু টেট পাশ করেননি, তাঁদের দু’বছরের মধ্যে পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।
আদালত জানিয়েছিল, এই সময়ের মধ্যে টেট পাশ করতে না পারলে চাকরি ছাড়তে হতে পারে বা বাধ্যতামূলক অবসর নিতে হতে পারে। তবে অবসরকালীন সুবিধা পাওয়া যাবে। যাঁদের অবসরের আর পাঁচ বছর বাকি, তাঁদের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড়ের কথাও বলা হয়েছিল।
এই মামলার শুনানি হয়েছিল বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি মনমোহনের বেঞ্চে। আজ আবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর বেঞ্চেই মামলাটি উঠতে পারে। ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন এবং ২০১০ সালের এনসিটিই নির্দেশিকা অনুযায়ী, ওয়ান থেকে এইট পর্যন্ত শিক্ষকতায় টেট বাধ্যতামূলক। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে টেট পরীক্ষা শুরু হয় ২০১১ সালে। তাই তার আগে যাঁরা শিক্ষকতায় যোগ দেন, তাঁদের অনেকেই টেট পরীক্ষা দেননি।
জানা গিয়েছে, দেশে প্রায় ৩৩ লক্ষ শিক্ষকের টেট নেই। তাঁদের অনেকেই ২৫-৩০ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) আগের রায়ের পর থেকেই শিক্ষক মহলে উদ্বেগ বাড়ে। এরপর বিভিন্ন রাজ্যের শিক্ষক সংগঠন রিভিউ পিটিশন জমা দেয়।

আরও পড়ুনঃ নিরাপদ ভোটে জোর! বাংলায় ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন চালু করলেন রাজ্যপাল
নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ধ্রুবশেখর মণ্ডল জানিয়েছেন, তাঁরা কোর্টরুমে পূর্ণাঙ্গ শুনানির আবেদন জানাবেন। অন্যদিকে শিক্ষক নেতা ভীমসেন বিশওয়াল বলেন, টেট চালুর আগে যাঁরা চাকরিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আলাদা ছাড় দেওয়া উচিত (Supreme Court)।












