সনাতন ধর্মকে অসম্মানের অভিযোগ ফিরহাদের বিরুদ্ধে! TMC-কে ‘হিন্দু বিরোধী দল’এর তকমা শুভেন্দুর

Published on:

Published on:

বাংলাহান্ট ডেস্ক : তৃণমূলের বিরুদ্ধে আবারও হিন্দু ধর্মকে অপমানের অভিযোগ আনলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের একটি অনুষ্ঠানের ভিডিও শেয়ার করে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন তিনি। হিন্দু ধর্মকে অবমাননার অভিযোগ এনেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

কী লিখেছেন বিরোধী দলনেতা? রাজ্যের শাসক দলকে কটাক্ষ করে তিনি লিখেছেন, ‘হিন্দু ধর্মের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আওয়াজ তুললে বিজেপি হয় হিন্দুদের দল। তাহলে হিন্দু ধর্ম কে বারংবার অপমান করার জন্যে তৃণমূল কে হিন্দু বিরোধী দলের তকমা দেওয়া যেতেই পারে।’ এরপরেই ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন তিনি।

Suvendu Adhikari accused firhad hakim of insulting hindu religion

কী লিখেছেন শুভেন্দু: শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, ‘গত ২৭ শে আগস্ট, ভবানীপুরের (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব বিধানসভা আসন) ৭০ নং ওয়ার্ডে একটি নতুন জল পাম্পিং স্টেশনের উদ্বোধনের সময়, মেয়র ফিরহাদ হাকিম প্রকাশ্যে হিন্দু ধর্মের অপমান করেন। যখন ওয়ার্ড কাউন্সিলর অশীম কুমার বোস এর আহ্বানে আসা পুরোহিত মহাশয় ওনাকে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধনের সময় একটি পবিত্র নারকেল বাড়িয়ে দেন ফাটানোর জন্য, মেয়র ফিরহাদ হাকিম তা প্রত্যাখ্যান করেন।’

আরও পড়ুন : দুই বাচ্চার মা হয়ে সারল্য হারিয়েছেন? দেবের মন্তব্যে শুভশ্রী বললেন, ‘…এমন অসম্মান’! ফের ভাঙল জুটি

ফিরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ: শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, হিন্দু ধর্মের আচার আচরণকে আগেও ছোট করেছেন ফিরহাদ। কপালে চন্দনের ফোঁটা মুছে ফেলা, মা দুর্গার দিকে পেছন ফিরে দাঁড়ানোর মতো অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। মেয়রের বিরুদ্ধে তিনি আরও বলেন, ‘সংখ্যাতত্ত্ব দিয়ে বোঝানো যে কিভাবে উর্দু ভাষা বাংলা ভাষা কে অতিক্রম করে যাবে, অথবা ধর্মীয় মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাসন দেওয়া; যে ওনার নিজের ধর্মে জন্মগ্রহন করলে সৌভাগ্যবান হওয়া যায় আর পর ধর্মে জন্মগ্রহণ করলে তা দুর্ভাগ্যজনক’।

আরও পড়ুন : ‘লোককে গল্প বানাতে দাও…’, বিচ্ছেদের জল্পনার মাঝে বিষ্ফোরক নুসরত

শুধু অবশ্য ফিরহাদ হাকিম নয়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করতে ছাড়েননি শুভেন্দু। কটাক্ষ শানিয়ে বলেছেন, ‘ওনার নেত্রী আবার হিন্দু ধর্মকে ‘গন্ধা ধর্ম’ বলে আখ্যা দেন, মহাকুম্ভ কে ‘মৃত্যু কুম্ভ’ বলে উল্লেখ করেন। তাই এনারা সেই পথেই চলবেন তাই স্বাভাবিক’। প্রসঙ্গত, দিঘায় জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের দিনও মুখ্যমন্ত্রীর নারকেল ফাটানোর রীতি বা রথের চাকা আটকে যাওয়ার অভিযোগ তুলে ব্যঙ্গ করেছিলেন শুভেন্দু।