বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আগামী ১ ডিসেম্বর নবান্নে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়েছে। আর এই বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক দুটির একটিতে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন, আরেকটি লোকায়ুক্ত কমিটি। এই বৈঠকে নিয়ম মেনে চিঠি পাঠানো হয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কে। আর সেই চিঠি পেয়ে শুভেন্দু অধিকারী যে মন্তব্য করেছেন তা নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনীতি।
বৈঠকে যোগ দেবেন না শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)
মুখ্যমন্ত্রী নেতৃত্বে নবান্ন যে বৈঠক দুটি হওয়ার কথা রয়েছে তার প্রথমটি বিকেল ৪টেয় লোকায়ুক্ত কমিটির বৈঠক। প্রথম বৈঠকটি শেষ হওয়ার ঠিক ১৫ মিনিট পরে মানবাধিকার কমিশনের বৈঠক হবে। দু’টি বৈঠকেই সভাপতিত্ব করবেন মুখ্যমন্ত্রী। নিয়ম মেনে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দপ্তরে সরকারি চিঠিও পাঠানো হয়েছে। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি এই বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না। শুভেন্দু সাফ ভাবে জানান, “দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমি কোনও বৈঠকে বসব না।”
শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর ওপর হামলার পর যাঁদের হাতে ‘বিজেপি কর্মীদের রক্ত লেগে আছে’, তাঁদের সঙ্গে বসে হাসিমুখে ছবি তোলা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।
বিরোধী নেতার (Suvendu Adhikari) আরও অভিযোগ করে বলেন, রাজ্যজুড়ে শাসকদলের আশ্রয়ে পুলিশকে দিয়ে সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে। বিধানসভায় স্পিকারের নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে ‘একদলীয় শাসনব্যবস্থা’। সেই পরিস্থিতিতে সরকারি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কোনও মানে নেই বলেই মন্তব্য তাঁর। শুভেন্দুর দাবি, “মানুষের নিরাপত্তার অবস্থা ভয়াবহ। এসব বৈঠক আসলে লোক দেখানো আইওয়াশ।”

আরও পড়ুনঃ মর্ফড ছবি ভাইরাল! থানায় ছুটলেন তরুণজ্যোতিরা, তৃণমূলের দেবাংশুর বিরুদ্ধে সোজা আঙুল BJP-র
শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) এই বক্তব্যের পর তৃণমূলের পাল্টা সুর আরও তীব্র হয়েছে। শাসকদলের অভিযোগ “আমন্ত্রণ না পেলে বলতেন ডাকেনি, আর ডাকলে বলেন যাব না। ওরা কোনও গঠনমূলক আলোচনায় থাকতে চায় না, শুধু ইস্যু তৈরি করাই উদ্দেশ্য।” এই বিতর্কের ফলে নবান্নের এই বৈঠক ঘিরে আবারও মুখোমুখি শাসক-বিরোধী তরজা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি আরও একবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।












