বাংলাহান্ট ডেস্ক : বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পর থেকেই ভুয়ো ভোটারদের নাম বাতিল নিয়ে সোচ্চার হতে দেখা গিয়েছে বিরোধীদের। রাজ্যের ভোটার তালিকায় যাতে ভুয়ো নাম না থাকে তার জন্য বিশেষ পদক্ষেপও নিয়েছে কমিশন। বাংলার জন্য নিয়োগ করা হয়েছে ১২ জন ইলেক্টোরাল রোল অবজারভার এবং একজন স্পেশ্যাল ইলেক্টোরাল রোল অবজারভার। কমিশনের ঘোষণার পরেই নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগকে সাধুবাদ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান শুভেন্দু। একই সঙ্গে কলকাতা পুরসভার নতুন ‘ক্যাম্প’ নিয়েও কটাক্ষ শানাতে দেখা যায় তাঁকে। ব্যঙ্গের সুরে বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘এই নতুন বার্থ সার্টিফিকেট দিয়ে কী করবে ওরা! কমিশন জানে যে এদের চিটিংবাজির ব্যবসা। কাল যে স্পেশ্যাল অবজারভার নিয়োগ করেছে তারা সব ধরবে।’

মুর্শিদাবাদ প্রসঙ্গ টানলেন শুভেন্দু: তিনি আরও বলেন, ‘কোথায় কারা কী কেলেঙ্কারি করেছে, মৃত, ভুয়ো, বাংলাদেশি সব তথ্য আছে আমাদের কাছে। দুমাসের লড়াই শুরু হয়েছে সবে। একটা একটা ধরে নাম কাটাব’। ওয়াকফ ইস্যুও টেনে আনতে দেখা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর আগে মালদহ, মুর্শিদাবাদে গিয়ে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর উস্কানিতেই ৬৮ টি দোকান পোড়ানো হয়েছে মোথাবাড়িতে। ধুলিয়াস, শামশেরগঞ্জের অশান্তির দায়ও তাঁর’। এমনকি হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাসের খুনের জন্যও মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করেছেন শুভেন্দু।
আরও পড়ুন : সোমবার থেকেই কলকাতায় ক্যাম্প, এসআইআর আবহে বড় সিদ্ধান্ত পৌরনিগমের
শুভেন্দুর ওয়াকফ কটাক্ষ: ওয়াকফ আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধী দলনেতা বলেন, আন্দোলনটা ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে ছিল নাকি হিন্দুদের বিরুদ্ধে? শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীই তো আইন কার্যকর করলেন। তিনি আরও কটাক্ষ করেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র সংখ্যালঘু রক্ষক, একথা যাঁরা বলেন সেই ত্বহা সিদ্দিকী, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর বক্তব্যও আমরা শুনতে চাই।’
আরও পড়ুন : কংগ্রেসের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন, ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত তৃণমূলের
এসআইআর প্রক্রিয়ায় এখনও বহু ভুয়ো ভোটার বাদ পড়েনি বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। যদিও বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, দুমাস চলবে এই প্রক্রিয়া। এক কোটি নাম বাদ যাবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই প্রথম আমরা ৫১০৩৩ জন বিএলএ টু দিয়েছি। এর আগে বাংলায় কোনও বিরোধী দলই এত বুথে লোক দিতে পারেনি বলে দাবি করেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের মতো চিত্র গোটা রাজ্যেই আনার জন্যও সুর চড়ান বিরোধী দলনেতা।












