তৈরি হচ্ছে স্কাইওয়াক! তার মধ্যেই কালীঘাট মন্দিরের ৩ টি চূড়া বাঁধানো হল সোনা দিয়ে

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার নতুন রূপে সেজে উঠছে কালীঘাট মন্দির (Kalighat Temple)! ইতিমধ্যেই এই অত্যন্ত জনপ্রিয় মন্দিরটিকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে স্কাইওয়াক। পাশাপাশি জানা গিয়েছে যে, স্কাইওয়াক তৈরির কাজ শেষ হলেই মেরামত করা হবে মন্দির সংলগ্ন রাস্তাঘাট। এমতাবস্থায়, জোর কদমে চলছে এই মন্দির সংস্কারের কাজ। পাশাপাশি, কালীঘাট মন্দিরের ৩ টি চূড়াকে সোনা দিয়েও বাঁধানো হয়েছে।

   

ওই ৩ টি চূড়ার মধ্যে মাঝের চূড়াটির দৈর্ঘ্য হল সাড়ে ৬ ফুট। এছাড়াও, পাশের ২ টি চূড়ার দৈর্ঘ্য হল ৬ ফুট করে। এদিকে, আরও জানা গিয়েছে যে, এবার মন্দির চত্বরের মধ্যেই ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে কুণ্ড পুকুরকে। পাশাপাশি, ওই পুকুর এবং ঘাটেরও সংস্কার করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, কুণ্ড পুকুরের জল পরিষ্কার রাখতে লাগানো হয়েছে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট।

The 3 peaks of the Kalighat Temple are covered with gold

এদিকে, কালীঘাট মন্দিরের সংস্কারের কাজের প্রসঙ্গে মন্দির কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট বাবলু হালদার জানিয়েছেন “মন্দির সংস্কারের কাজ শুরু করেছিল রাজ্য সরকার। তার মধ্যে মন্দিরের ভেতরের অংশের কাজটির দায়িত্ব রিলায়েন্সকে দেওয়া হয়। সেই কাজ চলছে। দু’দিন আগেই মন্দিরে সোনার কলস লাগানোর কাজ শেষ হয়েছে।”

আরও পড়ুন: এবার অযোধ্যা সাজবে চন্দননগরের আলোতে! বাংলার আলোক শিল্পীরা পেলেন ২ কোটির বরাত

এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি যে, কালীঘাট মন্দিরের ভেতরে মূলত দু’টি অংশ হেরিটেজ ও নন হেরিটেজ। এর মধ্যে হেরিটেজ অংশের সংস্কারের কাজ চলছে। পাশাপাশি, মন্দিরের ওই হেরিটেজ অংশের সংস্কারের জন্য বিদেশ থেকে নিয়ে আসা হয়েছে লাইম মর্টার। যেটির মাধ্যমে মন্দিরের গায়ের সংস্কার করা হচ্ছে। এছাড়াও, মন্দিরের গায়ে থাকা পোড়া মাটির কাজগুলিকে নতুনভাবে ছাঁচের মাধ্যমে আবার পুরোনো আকারে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। যার ফলে পুণ্যার্থীরা সুপ্রাচীন এই মন্দিরকে আগেকার রূপেই দেখতে পাবেন।

আরও পড়ুন: জাপানকে হারিয়ে তৃতীয় বৃহত্তম অটো মার্কেট ভারতে! এই বছরের মধ্যে লক্ষ্য প্রথম স্থান

এদিকে, নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে পুজো সামগ্রীর দোকানগুলিকেও। মূলত, কালীঘাট মন্দিরকে তার প্রাচীন রূপে ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে পুণ্যার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্যের দিকটিকেও মাথায় রেখে চলছে মন্দির সংস্কারের কাজ। এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি যে, কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহের দরজাগুলি রুপো দিয়ে মুড়ে দেওয়ার পাশাপাশি বিষ্ণুপুরের পোড়া মাটির কাজ দিয়ে তৈরি হয়েছে নবদুর্গা ও দশমহাবিদ্যার মূর্তি। এছাড়াও, মন্দিরের ভেতরের কাজ করার জন্য রাজস্থান থেকে শিল্পীরা এসেছেন বলেও জানা গিয়েছে।