বাংলাহান্ট ডেস্ক: ২০২৬ সালের শুরুতে জ্বালানি (ATF Price Cut) দামে দুই ধরণের ছবি দেখা গেছে। যা একদিকে বিমান সংস্থাগুলির জন্য স্বস্তি নিয়ে এলেও অন্যদিকে বাণিজ্যিক গ্যাস ব্যবহারকারীদের উপর চাপ বাড়িয়েছে। ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দাম বিমান জ্বালানি (এটিএফ), বাণিজ্যিক এলপিজি ও গার্হস্থ্য পিএনজির উপর প্রভাব ফেলবে।
২০২৬ সালের শুরুতে জ্বালানি (ATF Price Cut) দামে স্বস্তি বিমান সংস্থাগুলির:
বিমান পরিবহন জ্বালানির (এটিএফ) দাম প্রতি কিলোলিটারে ৭,৩৫৩.৭৫ টাকা কমিয়ে দিল্লিতে ২৯২,৩২৩.০২ টাকা, মুম্বাইয়ে ৮৬,৩৫২.১৯ টাকা, কলকাতায় ৯৫,৩৭৮.০২ টাকা এবং চেন্নাইয়ে ৯৫,৭৭০.০০ টাকা করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক তেলের বাজার ও মুদ্রার হারের ভিত্তিতে এই হ্রাস বিমান সংস্থাগুলির অপারেটিং খরচ কমাবে, যদিও যাত্রীদের টিকিটের মূল্যে তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে জয়শঙ্কর! তারেকের হাতে দিলেন মোদীর চিঠি, বরফ গলছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে?
অন্যদিকে, বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১১১ টাকা বাড়ানো হয়েছে, যা হোটেল, রেস্তোরাঁ ও ছোট ব্যবসায়ীদের উপর অতিরিক্ত বোঝা সৃষ্টি করবে। নতুন দাম দিল্লিতে ১,৬৯১.৫০ টাকা, কলকাতায় ১,৭৯৫.০০ টাকা এবং মুম্বাইয়ে ১,৬৪২.৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ১৪ কেজির গৃহস্থালি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
গার্হস্থ্য গ্রাহকদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হলো পাইপড প্রাকৃতিক গ্যাস (পিএনজি) এর দাম কমানো হয়েছে। ইন্দ্রপ্রস্থ গ্যাস লিমিটেড দিল্লি ও এনসিআর অঞ্চলে প্রতি এসসিএম পিএনজির দাম হ্রাস করেছে। দিল্লিতে নতুন দাম প্রতি এসসিএম ২৪৭.৮৯ টাকা, গুরুগ্রামে ২৪৬.৭০ টাকা এবং নয়ডা, গ্রেটার নয়ডা ও গাজিয়াবাদে ২৪৭.৭৬ টাকা ধার্য করা হয়েছে, যা সাধারণ পরিবারের রান্নার খরচ কিছুটা কমাবে।

আরও পড়ুন: SIR-শুনানিতে দেওয়া যাবে না ২০১০ সালের আগে দেওয়া OBC সার্টিফিকেট, সিদ্ধান্ত কমিশনের
সর্বোপরি, নতুন বছরের শুরুতে জ্বালানি দামের এই মিশ্র পরিবর্তন বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভিন্ন প্রভাব ফেলছে। বিমান শিল্পে অপারেশনাল খরচ কমানোর সুযোগ তৈরি হলেও পরিষেবা খাতের ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বৃদ্ধির চাপ সামলাবেন। সাধারণ গৃহস্থদের জন্য পিএনজি সাশ্রয়ী থাকলেও সামগ্রিকভাবে জ্বালানি ব্যয়ের এই ভারসাম্যহীনতা অর্থনীতির বিভিন্ন স্তরে আলাদা প্রভাব রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।












