বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার দুর্ধর্ষ রেকর্ড গড়ল ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া তথা NHAI (National Highways Authority of India)। মূলত, অন্ধ্রপ্রদেশের বেঙ্গালুরু-কাড়াপা-বিজয়ওয়াড়া অর্থনৈতিক করিডোর (NH-544G) নির্মাণের সময় NHAI ২ টি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি করেছে। তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিরবিচ্ছিন্নভাবে ২৮.৯৫ কিলোমিটার রাস্তা এবং ১০,৬৭৫ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কংক্রিট স্থাপন করেছে। যা বিশ্বমানের হাইওয়ে পরিকাঠামোর ওপর জোর দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে।
জোড়া বিশ্বরেকর্ড NHAI (National Highways Authority of India)-র:
জানিয়ে রাখি যে, ইতিমধ্যেই ভারত বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে বায়ো-বিটুমিন উৎপাদন করেছে। অন্ধ্রপ্রদেশের অমরাবতী এবং কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুর মধ্যে সফরের সময় কমাতে ৬ লেনের এই গ্রিনফিল্ড জাতীয় মহাসড়কটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রধান বৈশিষ্ট্য: বেঙ্গালুরু-কাড়াপা-বিজয়ওয়াড়া এক্সপ্রেসওয়ে (NH-544G) নির্মাণের সময় NHAI এই ২ টি রেকর্ড গড়েছে। যেখানে অন্ধ্রপ্রদেশের ভানভোলু-ভাঙ্কারকুন্ড অংশটি ২৪ ঘন্টার মধ্যে নির্মাণ করা হয়। এই প্রকল্পটি ভারতমালা ফেজ ২-র অধীনে শুরু করা হয়। যার মাধ্যমে গ্রিনফিল্ড এবং ব্রাউনফিল্ড উভয় রাস্তাই তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে এই রুটে সফরকারীরা এবার যানজটপূর্ণ শহর এবং পুরনো মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত এড়াতে পারবেন। এই রাস্তাটি গুন্টুর থেকে শুরু করে প্রকাশম, কুর্নুল এবং কাড়াপা জেলার মধ্য দিয়ে যাবে। এর ফলে অমরাবতী থেকে বেঙ্গালুরুতে সফরের সময় ১১ থেকে ১২ ঘন্টা থেকে কমে ৬ ঘন্টা করা হবে। যা সফরকে সহজ করবে এবং শিল্প সংক্রান্ত কার্যকলাপকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।
আরও পড়ুন: ভারতের অর্থনীতি নিয়ে নেই চিন্তা! দেশের GDP-তে হবে বিপুল বৃদ্ধি, কী জানাল SBI?
২৪ ঘন্টায় ২৯ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি: জানিয়ে রাখি যে, NHAI ২৪ ঘন্টায় ২৮.৯৫ লেন কিলোমিটার বিটুমিনাস কংক্রিট রাস্তা তৈরি করেছে। যেখানে ১০,৬৭৫ মেট্রিক টন (MT) কংক্রিট ব্যবহার করা হয়েছে। কৃষি বর্জ্য থেকে বাণিজ্যিকভাবে জৈব-বিটুমিন উৎপাদনকারী বিশ্বের প্রথম দেশ হয়ে ভারত ইতিমধ্যেই একটি ঐতিহাসিক কৃতিত্ব অর্জন করেছে। উল্লেখ্য যে, গ্রিনফিল্ড বিভাগ কোডিকোন্ডা থেকে আডাঙ্কি/মুপ্পাভারম পর্যন্ত প্রায় ৩৪২ কিমি বিস্তৃত। অপরদিকে, ব্রাউনফিল্ড আপগ্রেড বেঙ্গালুরু-কোডিকোন্ডা (NH-৪৪-এ ৭৩ কিমি) এবং আডাঙ্কি-বিজয়ওয়াড়া (NH-১৬-তে ১১৩ কিমি) জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। এটি অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রী সত্য সাই জেলার পুট্টাপারথির কাছে স্থিত।
এদিকে, এই দুর্দান্ত রেকর্ড তৈরি করেছেন ৬০০ জন ইঞ্জিনিয়ার এবং কর্মী। যাঁরা NHAI-এর কঠোর মানের দিকটি বজায় রেখে প্রকল্পটি সম্পন্ন করার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন। এই বিষয়ে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গডকরি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ টুইটও করেছেন।












