পড়ুয়ারা পড়বে সেনার বীরত্বের কাহিনী, জওয়ানদের গর্বের অধ্যায় পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ কেন্দ্রের

Published On:

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে (Syllabus) এবার বড়সড় সংযোজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনাদের গৌরবময় কাহিনী এবার জায়গা করে নেবে পাঠ্যসূচিতে। মূলত, একদম ছোট বয়স থেকেই শিশুরা যাতে দেশের সেনা সম্পর্কে এবং তাঁদের আত্মত্যাগের কাহিনি সম্পর্কে অবগত হতে পারে সেই দিকটিকে মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর এই কথা জানিয়েছেন স্বয়ং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)

জানা গিয়েছে যে, প্রতিরক্ষামন্ত্রকের “বীর গাথা” প্রজেক্টে বক্তব্য রাখার সময়েই এই বড়সড় সিদ্ধান্তের কথা জানান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি তাঁর মতামত দিয়ে বলেন, “দেশের প্রতি সন্তানদের যাতে খুব কম বয়সেই দায়িত্ববোধ এসে যায় সেই দিকটিকে বিবেচনা করেই শিক্ষা মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষামন্ত্রক এই আলোচনা করছে। শিশুদের পাঠ্যক্রমে ভারতের সেনা জওয়ানদের গর্বের অধ্যায় ও গত ৭৫ বছরে ভারতের বীর গাথার কাহিনি পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি আলোচনা করা হচ্ছে।”

এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি, গত বছর অর্থাৎ ২০২১-এর নভেম্বর মাসে শুরু হয় “বীর গাথা প্রতিযোগিতা”। যেখানে দেশের মোট ৪,৭৭৮ টি স্কুল থেকে প্রায় ৮.০৪ লক্ষ পড়ুয়াকে এই তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এমতাবস্থায়, যে সকল পড়ুয়া এই প্রতিযোগিতায় সাফল্য পাচ্ছে তাদের “সুপার সেনা”-র তকমা দেওয়া হচ্ছে।

আর এক্ষেত্রেও একদম ছোট থেকেই যাতে দেশের শিশুরা সেনা জওয়ানদের আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারে এবং সচেতন হতে পারে সেই উদ্দেশ্যেই এমন পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, উক্ত অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং “বীর গাথা” প্রতিযোগিতায় সফল হওয়া ২৫ জনকে বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত করেন। পাশাপাশি, এই পুরষ্কার স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষ্যে সম্পন্ন হওয়া “আজাদি কি অমৃত মহোৎসব” অনুষ্ঠানের অংশ বলেও জানা গিয়েছে।

Sayak Panda

সায়ক পন্ডা, মেদিনীপুর কলেজ (অটোনমাস) থেকে মাস কমিউনিকেশন এবং সাংবাদিকতার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স করার পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর

X