ট্রেনের মধ্যেই মারপিটে ব্যস্ত TTE এবং GRP-র কর্মীরা, ঝড়ের গতিতে ভাইরাল ভিডিও, বচসার কারণ অবাক করবে

Published On:

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি তুমুল চাঞ্চল্যকর বিষয় সামনে এসেছে। এই প্রসঙ্গে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) কানপুর সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের বগিতে জিআরপি কনস্টেবল ও টিটিইর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। এদিকে, ওই সময়ে সেখানে উপস্থিত কেউ একজন এই পুরো ঘটনার ভিডিও করে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ভাইরাল করে দেন। এমতাবস্থায়, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওই টিটিই এলাহাবাদ সদর দফতরে মোট ৫ জন জিআরপি কনস্টেবলের বিরুদ্ধে হামলা ও টাকা লুঠ করার অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত আড়াইটা নাগাদ মথুরা থেকে প্রয়াগরাজ যাচ্ছিল প্রয়াগরাজ সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। সেই সময়ে ফতেপুর জিআরপি থানার এসও সাহেব সিং তাঁর চার কনস্টেবলের সাথে ডাকাতির অভিযোগে অভিযুক্ত একজনকে নিয়ে কানপুর সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছন। তাঁরা সবাই ফতেপুর যাওয়ার জন্য ট্রেনের A-2 বগিতে ওঠেন।

টিকিট চাওয়া নিয়ে শুরু হয় বচসা: মূলত, ওই কোচের টিটিই নীতেশ কুমার অভিযোগ জানিয়েছেন যে, তিনি যখন তাঁদের টিকিটের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন তখনই তাঁরা মারামারি শুরু করেন। শুধু তাই নয়, এরপর ওই কনস্টেবলরা কোচ অ্যাটেনডেন্ট ভি কে শর্মাকেও মারধর করেন বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ করা হয়েছে যে, জিআরপির আরও কিছুজন এসে ভি কে শর্মা এবং নীতেশ কুমারকে আক্রমণ করেন।

আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গের জন্য বড় সুখবর, চালু হচ্ছে নতুন লাইন! বিরাট বরাদ্দ রেলের

রেলওয়ে ইউনিয়নের কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান: এদিকে, এইভাবে রেল কর্মচারীদের মারধরের প্রসঙ্গে রেলওয়ে ইউনিয়নের একাধিক কর্মচারী বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। শুধু তাই নয়, অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়।

আরও পড়ুন: কেমন হবে গেরুয়া বন্দে ভারতের অন্দরসজ্জা? দেখলে ধাঁধিয়ে যাবে চোখ! প্রকাশ্যে এল ফার্স্টলুক

বিষয়টির তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে টিম: ইতিমধ্যেই এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কানপুর সেন্ট্রালের ডিরেক্টর আশুতোষ সিং জানিয়েছেন, টিটিই এবং জিআরপি পুলিশকর্মীদের মধ্যে লড়াইয়ের ভিডিও সামনে এসেছে। এই বিষয়ে প্রয়াগরাজেও অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি জিআরপি এসপি অষ্টভুজা প্রসাদ সিং জানিয়েছেন যে, প্রয়াগরাজের সিও সুনিতা সিং বিষয়টি তদন্ত করতে পৌঁছেছেন। তিনি কানপুর জিআরপি থানায় পৌঁছে সবার সাথে কথা বলেন।

Sayak Panda

সায়ক পন্ডা, মেদিনীপুর কলেজ (অটোনমাস) থেকে মাস কমিউনিকেশন এবং সাংবাদিকতার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স করার পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর

X