বাংলাহান্ট ডেস্ক : বছর শেষ হয়ে গেলেও যুবভারতী (Yuva Bharati) কাণ্ডের স্মৃতি এখনও টাটকা কলকাতাবাসীর মনে। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে স্বপ্নের তারকাকে তাঁরা দেখতে তো পানইনি, উলটে সেদিনের কাণ্ডে শহরের নাম কার্যত বদনাম হয়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মিডিয়াতেও। ডিজিপি রাজীব কুমার সাংবাদিক বৈঠক করে সেদিন আশ্বস্ত করেছিলেন, প্রত্যেকের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এবার শুরু হল টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া।
যুবভারতী (Yuva Bharati) কাণ্ডে টিকিটের টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু
ইতিমধ্যেই দর্শকদের টিকিটের টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সিট। এর জন্য আদালতের দ্বারস্থও হয়েছে পুলিশ। দর্শকদের কাছে টিকিট বিক্রি করে ১৯ কোটি টাকা তোলে সংস্থা। আয়োজক সংস্থার তরফে দায়িত্ব দেওয়া জোমাটো কর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনটাই জানতে পেরেছে পুলিশ।

কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি: যুবভারতী (Yuva Bharati) কাণ্ডে তদন্তে নেমে আয়োজক শতদ্রু দত্তের সংস্থা থেকে ২২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। নিম্ন এবং উচ্চ আদালতে সওয়াল জবাবে বিষয়টি উল্লেখও করা হয়েছে। আলিপুর আদালতে শুনানিতে আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় সওয়াল করেন, যুবভারতীতে মেসিকে আনার বিষয়টিতে প্রায় ২৩ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে।
আরও পড়ুন : ১০ কোটির টার্গেট দেবের, প্রথম সপ্তাহে কোথায় দাঁড়িয়ে ‘প্রজাপতি ২’? টেক্কা দিতে পারলেন কোয়েল-শুভশ্রী
কত কোটির টিকিট বিক্রি: আইনজীবী এও বলেন, এই তদন্ত একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ সেদিন টিকিট কেটেছিলেন। মোট ১৯ কোটি টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছিল। পাশাপাশি যুবভারতী কাণ্ডে সেদিন বিশৃঙ্খলার জেরে ২ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তিও নষ্ট হয়েছিল।
আরও পড়ুন : বরাদ্দ হয়েছে ৬৯ লক্ষ টাকা, ৫০০ বছরের সুপ্রাচীন ভৈরবী মন্দির পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ রাজ্য সরকারের
সেদিন সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার বলেন, যে টিকিট বিক্রি হয়েছিল তার টাকা ফেরত দিতে হবে আয়োজকদের। নয়তো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবশেষে সেই টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হল।












