বাংলায় পা রাখতেই পুরোদস্তুর বাঙালি? গুজরাতি নয় বাঙালি খাবার সেরা! মেনে নিলেন TMC-র পাঠান

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের বাজি ইউসুফ পাঠান (Yusuf Pathan)। গুজরাতি এই ক্রিকেটার বহরমপুরে পা রেখেই বলেছিলেন, এটা আমার ঘর, এখানে থাকতে এসেছি। এই মুহূর্তে বহরমপুরের শিল্প তালুকের একটি বেসরকারি হোটেলই তৃণমূল (TMC) প্রার্থীর ঠিকানা।

   

বহরমপুরে এসেছেন খুব বেশিদিন হয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন সিনিয়র পাঠান। তবে এই কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর মন জিতে নিয়েছে বাঙালি খাবার (Bengali Food)। শুক্রবার যেমন ইফতারের আসরে ধোকলার পাশাপাশি ভেটকি ফ্রাইয়ে মজেছিলেন ইউসুফ। গোলাপজামের পর তাঁর পাতে পড়ে বহরমপুরের নামকরা ছানাবড়া।

খাওয়াদাওয়ার পর তৃণমূল প্রার্থী বলেন, ‘ভেটকি ফ্রাই আর ছানাবড়া সেরা’। একইসঙ্গে জানান, গুজরাতি খাবারের থেকেও বেশি মন কেড়েছে বাঙালি খাবার। মাছ, মাংস থেকে শুরু করে মিষ্টির নানান পদ দিয়ে সাজানো হয়েছিল পাঠানের ইফতারির মেন্যু। গুজরাতি খাবারের পাশাপাশি সিনিয়র পাঠানের পাতে পড়েছিল বাঙালি বেশ কিছু পদ। আর সেগুলিতেই মজে যান তিনি! গুজরাতি খাবারের সঙ্গে ভেটকি ফ্রাই আর ছানাবড়ার তুলনা করে বলেন ‘খুব ভালো’।

আরও পড়ুনঃ জোর ধাক্কা! অরূপের ভাই স্বরূপকে নোটিশ দিল আয়কর দপ্তর, কী এমন পাওয়া গেল তল্লাশিতে?

প্রত্যেক বছর রমজান মাসে রোজা রাখেন ইউসুফ। চলতি বছর নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) ব্যস্ততার মাঝেও তার অন্যথা হয়নি। এই মুহূর্তে বহরমপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে থাকছেন তিনি। সেখান থেকে ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের রাজা মিঞার মসজিদে নামাজ পড়তে যান তিনি। এরপর ফিরে আসেন হোটেলে। শনিবার থেকে টানা প্রচারে বেরোবেন সিনিয়র পাঠান। অধীর-গড়ে ঘাসফুল ফোটাতে দল কোনও খামতি রাখতে চায় না তৃণমূল শিবির।

yusuf pathan loves bengali food bhetki fry chana bora

প্রসঙ্গত, চব্বিশের লোকসভা ভোটে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে ইউসুফের নাম ঘোষণার পর থেকেই ‘বহিরাগত ইস্যু’ নিয়ে সুর চড়াতে শুরু করে বিজেপি। এই প্রসঙ্গে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটারকে জিজ্ঞেস করা হলেন তিনি নরেন্দ্র মোদীর উদাহরণ টেনে আনেন। তৃণমূল প্রার্থী বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদীজি গুজরাতের মানুষ হলেও ভোটে দাঁড়ান বারাণসী থেকে। এটা মানুষের ভালোবাসার ফল। কাজ করার ক্ষমতা এবং ইচ্ছার জোর থাকলে দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে ভোটে দাঁড়িয়ে লড়াই করা যায়। এটা তো আমার ঘর, আমি আগেও বলেছি এখানে থাকতে এসেছি’।

Sneha Paul
Sneha Paul

স্নেহা পাল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তরের পর সাংবাদিকতা শুরু। বিগত প্রায় ২ বছর ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর