‘তুই পারবি না’র বাধা টপকে থেকে ‘তুই-ই পারবি’! মঙ্গলে ছুটল রোভার, স্বপ্নপূরণ অক্ষতার, কিভাবে ইতিহাস তৈরী হল ?

বাংলাহান্ট ডেস্ক : স্বপ্ন অনেকেই দেখেন, কিন্তু সেই স্বপ্নকে সত্যি করার তাগিদ সবার মধ্যে থাকে না। আবার অনেক সময় নিজের স্বপ্নের কথা অন্যদের জানালে মুখোমুখি হতে হয় কটাক্ষের। তাই হতাশ হয়ে অনেকেই একটা সময় পর সরে যান নিজের স্বপ্ন থেকে।  কিন্তু ব্যতিক্রমী চরিত্রও থাকে কিছুকিছু। অক্ষতা কৃষ্ণমূর্তি নাসার উচ্চপদস্থ আধিকারিক ‘রকেট সায়েন্টিস্ট’।

   

অক্ষতার অধ্যাবসা ও একাগ্রতা আজ সৃষ্টি করেছেন নতুন ইতিহাস। ছোটবেলায় এক মনে চেয়ে থাকতেন আকাশের দিকে। স্বপ্ন দেখতেন আকাশের বিভিন্ন চরিত্রদের নিয়ে তিনি কাজ করবেন একদিন। কিন্তু স্বপ্ন ও বাস্তবের মধ্যে রয়েছে বিশাল ফারাক। তবে স্বপ্ন সব সময় মিথ্যা হয় না তাই প্রমান করেছেন ভারতীয় এই বিজ্ঞানী।

নাসার যে রোভার মঙ্গল গ্রহে চড়ে বেড়াচ্ছে তার চাবিকাঠি রয়েছে এই ভারতীয় বিজ্ঞানীর হাতে।এই ভারতীয় বিজ্ঞানী নাসার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টের সাথেও যুক্ত। জীবনে যা কল্পনাও করতে পারেননি তাই বাস্তব হয়ে দেখা দিল অক্ষতার জীবনে। প্রথম ভারতীয় নারী হিসেবে নাসার ড্যাশবোর্ডে বসে মঙ্গলগ্রহে রোভারের পরিচালনা করলেন।

আরোও পড়ুন : ‘সব তথ্য সামনে আনা যাবে না কারণ…’, নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে আদালতে যা জানাল CBI, বিস্মিত আদালত

আজ থেকে ১৩ বছর আগে নাসায় যোগদান করেন অক্ষতা। তারপর থেকে প্রতিটা মুহূর্ত কেটেছে চ্যালেঞ্জের সাথে। নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ যেমন পেয়েছেন, তারই সাথে পেয়েছেন অজস্র বাধা-বিপত্তি। অক্ষতার মতে মানুষ বারবার আপনার মনোবল ভেঙে দিতে চেষ্টা করবে। কিন্তু আপনাকে নিজের লক্ষ্য স্থির থাকতে হবে। 

আরোও পড়ুন : টিকিট মাত্র ২৫ টাকা! এই মাসেই শিয়ালদহ শাখায় চলবে ‘লোকাল এসি ট্রেন’, সুখবর শোনাল রেল

সমালোচকদের কথায় কান দিলে চলবে না। সম্প্রতি সমাজ মাধ্যমে এই ভারতীয় বিজ্ঞানী লিখেছেন, “১৩বছর আগে নাসায় এসেছিলাম কাজ করতে। আমার স্বপ্ন ছিল মঙ্গলগ্রহে বিজ্ঞান এবং রোবোটিক্স অপারেশনের অংশ হওয়া। বহু মানুষ আমাকে বলেছিলেন যে এই কাজ আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি যেন আমার ফিল্ড বদলে নিই।”

1701772898 5

 ‘ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি’ (এমআইটি) থেকে PHD লাভের পর নাসায় ক্রমেই নিজের জায়গা শক্ত করতে শুরু করেন অক্ষতা। তার কাছে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ভারতীয় হিসেবে নাসায় জায়গা করে নেওয়া। এই ভারতীয় বিজ্ঞানী শত বাধা দূর করে মাথা উঁচু করেছেন দেশের। আগামী দিনে ভারতীয়দের কাছে এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন অক্ষতা।