এবার এই রুটের টোটোতে উঠলেই বাড়বে বিপত্তি! জানুন, রাজ্যে বহু রাস্তাতেই গাড়ি বন্ধের আসল কারণ

বাংলাহান্ট ডেস্ক : একটা সময় ছিল যখন স্থানীয়ভাবে যাতায়াতের জন্য আমরা রিক্সা বা ভ্যানের উপর নির্ভরশীল ছিলাম। কিন্তু পরবর্তীকালে সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে টোটো বা ই রিক্সা। এর ফলে একদিকে যেমন বেড়েছে গতি, ঠিক তেমনই কর্মসংস্থান হয়েছে বহু বেকার যুবকের।

   

কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় বিগত কয়েক বছরে বহুমাত্রায় বেড়ে গেছে টোটোর সংখ্যা। এরফলে একাধিক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে রাস্তাঘাটে। অত্যধিক পরিমাণ টোটোর ফলে যানজটের সমস্যায় নাকাল হচ্ছেন মানুষ। আবার বেআইনি টোটোর ফলে ঘটে যাচ্ছে দুর্ঘটনা। টোটোর উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে ইতিমধ্যেই সরকার কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

আরোও পড়ুন : বিশ্বের সেরা হুইস্কির তকমা পেল ভারতের ইন্দ্রি! ৭৫০-র দাম জানেন কত?

রাজ্য সড়ক ও জাতীয় সড়কে টোটো অথবা এই ধরনের তিন চাকা যানবাহন চলাচল ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ করেছে সরকার। কিন্তু অনেক জায়গায় নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে টোটো। এই ধরনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ছয় দফা নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে রাজ্য পরিবহন দপ্তরের পক্ষ থেকে। সরকারের আদেশ অনুযায়ী অনেক রুটে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে টোটো, আবার কোথাও চলছে ধরপাকড়।

আরোও পড়ুন : ১১০ কিলোর কই ভোলাকে নিয়ে তোলপাড় দিঘার বাজারে! জানেন কত টাকায় নিলাম হল বিশাল এই মাছ?

সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, শহর এলাকায় যে সকল টোটো চলে সেগুলি রুট ভাগ করে পরিষেবা দেবে। শহরে প্রবেশ করতে পারবেনা বাইরের টোটো। বাইরে থেকে যাত্রী নিয়ে আসা যাবে শহরে, বা ওই রুটে যাত্রী থাকলে তাদের নিয়ে যাওয়া যাবে। কিন্তু এই টোটো শহরে ঢোকার পর চলাচল করতে পারবে না অন্য রুটে। এছাড়াও নির্দিষ্ট সিডিউল করে পরিষেবা দিতে হবে যানজট কমানোর জন্য।

ইতিমধ্যেই নির্দেশিকা পালন করতে বলা হচ্ছে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে। যদি টোটো চালকরা নিয়ম অমান্য করেন তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে। উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর ১৫ নম্বর রেলগেট থেকে চিড়িয়া মোড় পর্যন্ত টোটো চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয় গত মাসে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের যুগীবটতলা থেকে ফুলতলা পর্যন্ত, মেইন রোডে আবার টোটো বন্ধ থাকবে ৯ অক্টোবর থেকে।

Toto,South 24 Pargana,Bangla,Bengali,Bengali News,Bangla Khobor,Bengali Khobor

এই রুটে টোটো চলাচল করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে পুলিশের পক্ষ থেকে। যদিও এই বিষয়ে রীতিমত অসন্তোষ তৈরি হয়েছে টোটো চালকদের মনে। তাদের বক্তব্য প্রশাসন যদি আগে থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করত তাহলে এই অবস্থা হত না। টোটো চালিয়ে তাদের সংসার চলে। এভাবে রুট বন্ধ করে দিলে তারা অথৈ জলে পড়বেন।