ভিড়ের দার্জিলিং নয়, প্রকৃতির কোলে কাঞ্চনজঙ্ঘা! জঙ্গলে ঘেরা এই পাহাড়ি গ্রামগুলো যেন স্বর্গের টুকরো

Published on:

Published on:

Travel Kanchenjunga feels like it's within arm's reach from this villages
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: শীতের সময় মানুষ কোথাও না কোথাও ঘুরতে যাচ্ছে। এবার আপনিও যদি পরিকল্পনা করে থাকেন ঘুরতে যাওয়ার, তাহলে এই প্রতিবেদনটা আপনার জন্য। কারণ ঘুরতে গেলে মানুষ আজকাল বেশিরভাগ অফবিটে যেতে পছন্দ করেন। সেখানে গেলে প্রাণভরে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করা যায়। আজকে প্রতিবেদনে রইল এমন তিনটি জায়গা, যেখান থেকে আপনি কাঞ্চনজঙ্ঘাকে সামনে দেখতে পাবেন। পাশাপাশি প্রাণ ভরে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করবেন (Travel)।

পাহাড়প্রেমীদের জন্য চমক, কাঞ্চনজঙ্ঘা যেন হাতের মুঠোয় এই গ্রাম  (Travel)

শহরের ধুলোবালিতে নিশ্বাস নেওয়া কষ্টদায়ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। রীতিমত ফুসফুসে যে চরম ক্ষতি হচ্ছে তার নতুন করে বলার আর কিছু অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু আপনি যদি মুক্ত বাতাসের শ্বাস নেওয়ার ইচ্ছে থাকে তাহলে এবারে শীতে যেতে পারেন কোলাহল থেকে দূরে উত্তরবঙ্গের এই ৩ টি হিল স্টেশনে (Travel)। যেখানে গেলে আপনি প্রাণভরে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন।

Travel Kanchenjunga feels like it's within arm's reach from this villages

আরও পড়ুন: রেলের বড় পরিবর্তন! ৮ ঘণ্টার নিয়ম জানলে সহজেই মিলবে কনফার্মড টিকিট

সময়: বর্ষাকালে এখানকার রাস্তা পিছল হওয়ায়, সেই সময় না যাওয়াই ভালো। তবে এই জায়গাটি এখনো খুব একটা পরিচিতি পাইনি। সময় যাওয়ার উপযুক্ত সময় অক্টোবর থেকে এপ্রিল মাস। এখানে গেলে আপনি প্রাকৃতিক পরিবেশের পাশাপাশি মানসিক শান্তি পাবেন।

চটকপুর: কার্শিয়াং এর স্বল্প পরিচিত গ্রাম চটকপুর। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭২০০ ফুট উচ্চতার অবস্থিত এই গ্রামটি। এখানে গেলে পরে ভোরে কুয়াশা না থাকলে পরিষ্কারভাবে দেখতে পাবেন সোনায়মোড়া কাঞ্চনজঙ্ঘা। তাছাড়া পাখি প্রেমীদের জন্য চটকপুর একেবারেই স্বর্গপুর। এখানে গেলে পরে আপনি দেখতে পাবেন নানান প্রজাতির পাহাড়ি পাখি। তাছাড়া এখানে থাকার জন্য রয়েছে সীমিত কিছু হোমস্টে। তাই পরিবার নিয়ে আসতে হলে আগের থেকে বুকিং করে আসা ভালো।

দাওয়াইপানি: চটকপুর ১ দিন কাটানোর পর পরের দিন যেতে পারেন দাওয়াইপানি। চটকপুর থেকে দাওয়াইপানির দূরত্ব খুব একটা বেশি নয়। এখানে যাওয়ার সময় প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে করতে সময় কেটে যাবে। স্বল্প পরিচিত দাওয়াইপানি গ্রামটা তুলনামূলকভাবে ছোট। এখানকার মূল আকর্ষণ হল নিস্তব্ধ পরিবেশ ও চারপাশে ছড়িয়ে থাকা চা বাগান এবং জঙ্গল। এখানে এসে আপনি অনায়াসে দু থেকে তিন দিন কাটিয়ে যেতে পারবেন (Travel)।