কালীঘাটে ফেরার দরজা কি খুলছে? ঋতব্রত-তৃণমূল ও NCPI নিয়ে বড় ইঙ্গিত কুণালের

Published on:

Published on:

Trinamool Congress Return Buzz Ahead of Municipal Polls
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুজোর পর কলকাতা, হাওড়া-সহ একাধিক পুরসভায় ভোট হতে পারে। তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বিজেপি একাই পুরভোটে লড়বে বলে ফের জানিয়েছেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। অন্যদিকে, NCPI-এর কয়েকজন সাংসদের বিজেপির সঙ্গে জোটের কথা শোনা যাচ্ছে। এর মধ্যেই ঋতব্রত-তৃণমূল বা NCPI-এর কয়েকজন নেতা ফের কালীঘাটের তৃণমূলে (Trinamool Congress) ফিরতে পারেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

Trinamool Congress : ‘ফিরলে গুড়-বাতাসা দিয়ে স্বাগত’, দাবি কুণালের

বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, তৃণমূল (Trinamool Congress) ছেড়ে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে ‘চক্রান্ত’ করা ৬-৭ জন যদি ফিরতে চান, তাঁদের গুড়-বাতাসা দিয়ে স্বাগত জানাতে কর্মীরা তৈরি। তিনি আরও কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘পরচুলা পরে যাবে, নেড়া মাথায় বেরোতে হবে।’’

তাহলে কি সত্যিই কেউ কালীঘাটের তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন? এই প্রশ্ন উঠতেই NCPI সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী দাবি উড়িয়ে দেন। তাঁর প্রশ্ন, তাঁরা কেন ফিরবেন? কুণালকে আক্রমণ করে অরূপ বলেন, কুণাল তৃণমূল নন, ‘ধান্দাবাজ পার্টি’। জেলে থাকার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ না করলে তাঁর হজম হত না বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।ঋতব্রত-তৃণমূলের নেতা ঋজু দত্তও পাল্টা দাবি করেন, যোগাযোগ তাঁরাই করছেন। উত্তর কলকাতার নেতাদের দিয়ে ফোন করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পুরভোটে NCPI-এর ভূমিকা নিয়েও কুণাল আক্রমণ করেন। তাঁর দাবি, NCPI, ‘বালিশ’, এই ধরনের দল বা নাম সামনে আসছে। পুরনো কোনও কাউন্সিলরকে বিজেপি টিকিট দিলে তা প্রমাণ করবে, বিজেপির কাছে যোগ্য প্রার্থীর অভাব রয়েছে। শমীক যা বলেন, বাস্তবে তা সবসময় হচ্ছে না বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

পাল্টা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, প্রতিক্রিয়া দেওয়ার জন্য কুণাল যেন ‘নোবেল প্রাইজ’ পাওয়ার যোগ্য হয়ে গিয়েছেন। পুরনো প্রসঙ্গ তুলে তিনি দাবি করেন, কুণাল নিজেই তৃণমূলের (Trinamool Congress) অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন। বিধায়ক থাকাকালীন তিনি বিষয়টি বিধানসভায় তুলেছিলেন, যদিও তাঁকে বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

Kunal Ghosh big statements 7 out of 12 are in contacts with TMC

আরও পড়ুনঃ এক আইডিতেই পড়ুয়ার মার্কশিট থেকে ডিগ্রি, বাংলায় শুরু নয়া ব্যবস্থা

এদিকে NCPI সাংসদদের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভার স্পিকার থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছেন। জবাব দেওয়ার জন্য NCPI সাংসদদের তিন সপ্তাহ সময় দিয়েছেন স্পিকার। ফলে পুরভোটের আগে তৃণমূল (Trinamool Congress), বিজেপি, ঋতব্রত-তৃণমূল এবং NCPI-এর সমীকরণ কোন দিকে যায়, এখন সেটাই দেখার।