বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্য সরকারি কর্মীদের (Government Employees) মেলেনি কাঙ্খিত ডিএ, বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) মামলা ঝুলে সুপ্রিম কোর্টে। এরই মধ্যে এবার এই সমস্ত ইস্যু সহ নতুন পে কমিশনের দাবিতে বড় পদক্ষেপ সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের।
দাবি আদায়ে চাপ সরকারি কর্মীদের | Government Employees
সপ্তম পে কমিশন নিয়ে এখনও কোনও উচ্চবাচ্য করেনি সরকার। যা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে সমানে। এরই মধ্যে রাজ্য সরকারের নীরবতা ভাঙতে এবং দাবি আদায়ে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ধাপে ধাপে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই ইসুতেই আগামী ২৭শে জানুয়ারি শহর কলকাতার বুকে এক বিশাল সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে সংগঠনের তরফে।
সংগঠনের দেওয়া তথ্য বলছে, বর্তমানে কর্মচারী এবং পেনশনারদের প্রায় ৪০ শতাংশ ডিএ বকেয়া রয়েছে। যা দিন দিন বাড়ছে। আবার ষষ্ঠ পে কমিশনের মেয়াদ ফুরোলেও সপ্তম পে কমিশন লাগু করেনি সরকার। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের দাবি তুলে ধরতে, রাজ্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সরাসরি বাংলার রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।
সম্প্রতি রাজ্যপালকে চিঠি দিয়ে রাজ্যে নতুন পে কমিশন গঠনের বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের দাবি, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সরকারি কর্মচারী ও অবসরপ্রাপ্তদের সমস্ত বকেয়া এবং দাবি মিটিয়ে দিতে হবে সরকারকে। সরকারকে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।
অবিলম্বে সমস্ত বকেয়া মহার্ঘ ভাতা অর্থাৎ ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি, সরকারি দপ্তরের বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থা করার দাবি তুলেছেন তারা। একইসাথে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনরত যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে যাতে তাঁদের নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয় সেই আর্জিও তোলা হয়েছে।
সংগঠনের তরফে ভাস্কর ঘোষ জানিয়েছেন, তারা মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চান। কিন্তু সরকার ২৭শে জানুয়ারির সমাবেশের পরেও কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ না নিলে ফেব্রুয়ারিতে হবে নবান্ন অভিযান। তারপরও দাবি না মানা হলে রাজ্যজুড়ে সমস্ত সরকারি ক্ষেত্রে লাগাতার ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: বুমেরাং! রাত পোহালেই দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার ‘নয়া’ খেলা শুরু: আগাম আপডেট দিল হাওয়া অফিস
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য লাগু হয়েছে অষ্টম পে কমিশন। আর বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীরা এখনও ষষ্ঠ বেতন কমিশনের অধীনে রয়েছেন। বছর শেষে সংগঠনের এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কোনও পদক্ষেপ নেয় কিনা সেটাই দেখার।












