বাংলাহান্ট ডেস্ক: রাজ্য সরকারি কর্মীদের সপ্তম পে কমিশন (7th Pay Commission) গঠনে অনলাইন তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে সরকার। নয়া পে কমিশনের লক্ষ্যে আরও একধাপ এগিয়েছে রাজ্য সরকার (West Bengal Government)। কর্মীদের বেতন ও ভাতা কাঠামো পর্যালোচনার লক্ষ্যে নয়া পে কমিশনের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নয়া বেতন কমিশনে পর্যালোচনার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহে দফতরভিত্তিক অনলাইন ব্যবস্থা শুরু হচ্ছে। সম্প্রতি এই মর্মে এক বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে।
সপ্তম পে কমিশনে তথ্য সংগ্রহের পক্রিয়া শুরু | 7th Pay Commission
সরকারি বিভিন্ন দফতরের কাছে কর্মী, পদ, পরিষেবা এবং ক্যাডার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তলব করে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কমিশন। কমিশনের সদস্য-সচিব দেবী প্রসাদ করণম নির্দেশিকা জারি করে সমস্ত তথ্য জমা দেওয়ার জন্য দফতরগুলিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার কথা বলেছে। নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টালে কমিশনের প্রশ্নমালার উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে এই তথ্য প্রদান করতে হবে। কমিশনের নির্দিষ্ট পোর্টালে গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
সরকারি কর্মীদের বর্তমান বেতন ও ভাতা কাঠামো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে কমিশন। সেই কারণে চাই বিভিন্ন দফতরের অধীন পদ, পরিষেবা, ক্যাডার এবং কর্মীদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। পাশাপাশি, কমিশন গঠনের প্রস্তাবের ‘পার্ট এ’ এবং ‘পার্ট বি’-তে উল্লিখিত সংশ্লিষ্ট কর্মী ও সংস্থাগুলির তথ্যও সংগ্রহ করার কথা বলা হয়েছে। কমিশনের এই পদক্ষেপে খুশি সরকারি কর্মচারীরা।
এই পদক্ষেপের বিষয়ে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা স্বপন মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘সপ্তম বেতন কমিশন আজ সব দফতরকে চিঠি দিয়ে বলেছে প্রতিটি দপ্তর যাতে তাঁদের নিয়ন্ত্রণাধীন কর্মীদের যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য বেতন কমিশনের কাছে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু উল্লেখযোগ্য বিষয় হল সেই তথ্য কবের মধ্যে পাঠাতে হবে তা কিন্তু বলা হয়নি।”

তিনি বলেন, “আমরা মনে করি একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া উচিত ছিল। তা না হলে তো দফতরগুলো ইচ্ছাকৃত ভাবে তথ্য পাঠাতে গড়িমসি করবে। বেতন কমিশনের সুপারিশ বলবৎ হতে দেরি হবে তার কারণে। ’’ উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতন ও ভাতা কাঠামো পর্যালোচনার ক্ষেত্রে এই তথ্য সংগ্রহের গোটা প্রক্রিয়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
আরও পড়ুন: ‘সুপ্রিম নির্দেশের পরেও?’ বকেয়া DA মামলায় মনিটরিং কমিটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ভাস্কর ঘোষের
রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে থাকা মোট পদ, সংশ্লিষ্ট পরিষেবা ও ক্যাডারের বিন্যাস কী এবং কোন কোন কর্মী কমিশনের পর্যালোচনার আওতায় পড়ছেন, সেই সংক্রান্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বর্তমান কাঠামো খতিয়ে দেখার কাজ এগোবে। এই তথ্য সংগ্রহের এই প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে অনেক কিছু। বিভিন্ন দফতর থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য হাতে এলে তা পর্যালোচনার কাজ শুরু করবে কমিশন।














