বাংলা হান্ট ডেস্ক: শেয়ার বাজারে ক্রমশ ঘটছে পতন। যার ফলে রীতিমতো মাথায় হাত বিনিয়োগকারীদের। প্রায় প্রতিদিনই ক্ষতি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার। ঠিক এই আবহে, দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) বড়সড় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ফরেন ইনস্টিটিউশনাল ইনভেস্টার তথা FIIs-এর তরফে অত্যধিক বিক্রির বিষয়টিতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তাঁর মতে, “আমাদের অর্থনীতি শক্তিশালী, আমরা এটি মোকাবিলা করব।”
কি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman):
মুম্বাইয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) বলেন, “বাজারে পতনের বিষয়টিতে ভয় পাওয়ার দরকার নেই। সবকিছু ঠিক আছে।” আসলে শেয়ার বাজারে সেলিং পিরিয়ড আধিপত্য বিস্তার করছে। যার ফলে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীদের হাজার হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে।
এদিকে বাজারে অস্থিরতার পিছনে কারণ হিসেবে আমেরিকার শুল্ক হুমকি এবং সোনার দাম বৃদ্ধিকেই দায়ী করা হচ্ছে। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিক্রির কারণেও বাজারের অবনতি হয়েছে। প্রায় ৪৫-৪৬ দিনে, দেশের বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রতিদিন গড়ে ২,১৫০ কোটি টাকার বেশি তুলে নিয়েছে। জানুয়ারি মাসে এই অঙ্ক ছিল ৭৮,০০০ কোটি টাকা। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে দালাল স্ট্রিটে।
আরও পড়ুন: সর্বনাশ! ভারতের সঙ্কট তৈরি করে খেলা ঘুরিয়ে দিল চিন, সামনে বড়সড় বিপদের আশঙ্কা
বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার কারণে FIIs বিক্রি করছে; অর্থমন্ত্রী: এই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) মুম্বাইয়ে বলেছেন যে, এখন বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার সময়। এমন পরিস্থিতিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিক্রির দিকে মনোনিবেশ করছে। তাই, এই বিষয়ে আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রফিট বুকিংয়ের জন্য বিক্রি করে। পাশাপাশি, ভারতীয় শেয়ার বাজারের অবস্থা শক্তিশালী রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
নতুন IT বিলের জন্য ৬০,০০০-এর বেশি ইনপুট পাওয়া গেছে: অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) আরও বলেছেন যে, “প্রতিটি MSME ক্লাস্টারে SIDBI-র শাখা থাকবে। এই বাজেটে সবার জন্য বৃদ্ধি নিশ্চিত করার দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। বাকি উদীয়মান বাজার থেকে টাকা তোলার খবর ভুল। যখনই বিশ্বব্যাপী উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখনই বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিক্রি করে। ভারতের অর্থনীতি শক্তিশালী। আমরা সমস্ত সেক্টরে মনোযোগ দিয়েছি এবং নতুন আয়কর বিলে ৬০,০০০ টিরও বেশি ইনপুট পেয়েছি।”