তাপস পাল-প্রসেনজিতের নায়িকা হয়েও দাম দেয়নি ইন্ডাস্ট্রি! কাজ না পেয়ে বিষ্ফোরক ইন্দ্রানী

বাংলা হান্ট ডেস্ক : সাম্প্রতিক সময়ে বাংলা বিনোদন (Tollywood) জগত খানিকটা ম্রিয়মাণ হলেও একটা সময় ছিল যখন বাংলার গৌরব ছিল সার ভারত জুড়ে। ৯০ এর দশকে দেবশ্রী, ঋতুপর্ণা, রচনাদের চর্চা ছিল গোটা দেশেই। আর এইসব নায়িকার পাশাপাশি আরও এক সুন্দরী নায়িকা মানুষের নজর কেড়েছিলেন। আর তিনি হলেন ইন্দ্রানী দত্ত (Indrani Dutta)।

তৎকালীন সময়ের সেরা নায়কদের প্রায় প্রত্যেকের সাথেই জুটি বেঁধেছিলেন তিনি। জনতার আদালত, নিষ্পাপ আসামি, দেবী, পাপী, স্বপ্ন-র মত জনপ্রিয় সব সিনেমায় চুটিয়ে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে নব্বই দশকের পর হঠাৎ করেই যেন গায়েব হয়ে যান। মাঝে একবার শিবপ্রসাদ মুখার্জি এবং নন্দিতা রায়ের ‘বেলা শেষে’ ছবিতে দেখা গেছিল।

   

এরপর জি বাংলার ‘জীবন সাথী’ নামের একটি সিরিয়ালেও অভিনয় করেন তিনি। এরপর আবারও গায়েব! নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রীর এমন অনিয়ম কেন? কেনই বা বড় পর্দা থেকে দূরত্ব তৈরি করে নিলেন? খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেল, ইন্দ্রানী এখন তার নাচের স্কুল নিয়ে ব্যস্ত। ৯০ দশকের পর অভিনয় ছেড়ে দিয়ে তিনি পুরোপুরি নাচের জগতেই ডুবে যান।

আরও পড়ুন : অপরাজিতার নতুন সিরিয়াল এসেই কেড়ে নিল স্লট! রাতারাতি তল্পিতল্পা গোটালো স্টার জলসার এই সিরিয়াল

বড়পর্দায় দেখা না গেলেও দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় ইন্দ্রানী এবং তার নাচের দল অংশ নেন। করোনাকালে গোটা দেশ যখন ঘরবন্দী তখন বাড়িতে বসেই ইন্দ্রানী বিভিন্ন ভিডিও এবং ভার্চুয়াল শোয়ের আয়োজন করেছিলেন। তবে টলিপাড়ার বিরুদ্ধে তার অভিযোগ একাধিক। একসময় ইন্ডাস্ট্রির একজন নামী অভিনেত্রী হওয়া সত্বেও কাজের অভাবে তিনি হারিয়ে গেলেন অসময়ে।

আরও পড়ুন : ‘পুরো দোতলা বাসের মতো লাগছে…’, গর্ভাবস্থায় অঙ্কুশকে জড়িয়ে উদ্দাম নাচ! কটাক্ষের শিকার শুভশ্রী

এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, অভিনয় জগত থেকে দূরে থাকলেও তিনি অভিনয়টাকে আজও মিস করেন। তবে কেরিয়ারের ডাউনফলের জন্য তার বিয়েটাও একটা কারণ বটে। আসলে সেই সময় তার সমসাময়িক নায়িকাদের থেকে তার বিয়েটা অনেক আগে হয়ে গিয়েছিল। কারণ সেই সময় বিবাহিত নায়িকাদের কদর অনেকটাই কম ছিল।

indrani dutta 2 1264x720

বিয়ে হয়ে গেলেই অভিনেত্রীদের কেরিয়ার শেষ বলে মনে করা হত তখন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে তো সকলে আমাকে চেনে। তাহলে আলাদা করে কার চাইতে যাব কেন? আমাকে কাজে দাও বলার মধ্যে কিছু খারাপ নেই কিন্তু আমার অস্বস্তি হয়। তাছাড়া কোথাও একটা অভিমান তৈরি হয়েছিল।”

Moumita Mondal
Moumita Mondal

মৌমিতা মণ্ডল, গ্র্যাজুয়েশনের পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। বিগত ৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে লেখালেখির সাথে যুক্ত। প্রায় ২ বছর ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর