বাংলাহান্ট ডেস্ক: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উত্তেজনা সত্ত্বেও ভারত ও পাকিস্তান (India-Pakistan) বৃহস্পতিবার তাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলির তালিকা শান্তিপূর্ণ বিনিময় সম্পন্ন করেছে। প্রতি বছরের ১ জানুয়ারি পরিচালিত এই রীতি ২০২৬ সালেও অক্ষুণ্ণ রয়েছে, যা ১৯৮৮ সালের চুক্তি অনুসারে উভয় দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়াকে বজায় রাখছে।
একে অপরের সঙ্গে পরমাণু কেন্দ্রের তালিকা বিনিময় করল ভারত-পাকিস্তান (India-Pakistan)
১৯৮৮ সালে স্বাক্ষরিত এবং ১৯৯১ সালে কার্যকর হওয়া ‘পারমাণবিক স্থাপনায় আক্রমণ নিষিদ্ধকরণ’ চুক্তি অনুযায়ী, যেকোনও পরিস্থিতিতে একে অপরের পারমাণবিক স্থাপনাগুলিতে হামলা না করার অঙ্গীকার করে ভারত ও পাকিস্তান। এই চুক্তির অধীনে উভয় পক্ষকে প্রতিবছর নিজেদের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলির পূর্ণাঙ্গ তালিকা বিনিময় করতে হয়।
আরও পড়ুন: নতুন বছরেই দুর্দান্ত উপহার দিল এই সংস্থা! দাম কমল CNG-র, সস্তা হল PNG-ও
১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো এই তালিকা বিনিময় শুরু হয় এবং তারপর থেকে টানা ৩৪ বছর ধরে যুদ্ধ, কূটনৈতিক উত্তেজনা বা সীমান্ত সংঘর্ষের মতো পরিস্থিতিতেও এই প্রক্রিয়া কখনও বিঘ্নিত হয়নি। এটি দুই দেশের মধ্যে একটি বিরল ও স্থিতিশীল দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থা হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃত।
ভারতের বিদেশ মন্ত্রক বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতি জারি করে নিশ্চিত করেছে যে, দিল্লি ও ইসলামাবাদের কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে এই তালিকা বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট কূটনৈতিক পদ্ধতিতে এই নথি আদান-প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:সাজার মেয়াদ শেষ! তবুও পাকিস্তানের জেলে বন্দি ১৬৭ জন ভারতীয়, বড় পদক্ষেপ নিল ভারত
চুক্তি অনুযায়ী, কেবল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রই নয়, গবেষণাকেন্দ্র, জ্বালানি উৎপাদন ইউনিট, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ সুবিধা, আইসোটোপ পৃথকীকরণ কেন্দ্র এবং তেজস্ক্রিয় বস্তু সংরক্ষণাগারও ‘পরমাণুকেন্দ্র’ এর সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত। প্রতিবছর অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশসহ এই স্থাপনাগুলির সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানানো বাধ্যতামূলক, এবং ২০২৬ সালেও সেই নিয়ম মেনেই এই বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে।












