প্রথম দফার ভোটে ৪০ হাজারেরও বেশি বুথে কোথাও পুনর্নির্বাচন নয়, জানাল নির্বাচন কমিশন

Updated on:

Updated on:

Post assembly election violence in Alipurduar
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক :  বঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) প্রথম দফা শেষ হতেই বড় সিদ্ধান্ত জানাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। ভোট চলাকালীন নানা অভিযোগ ওঠা সত্ত্বেও কোনও বুথেই পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন হয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।ভোটের আগে কমিশন জানিয়েছিল, কোথাও যদি ভোটারদের ভয় দেখানো, বাধা সৃষ্টি বা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে, তাহলে সেই বুথে পুনরায় ভোট নেওয়া হতে পারে। তবে প্রথম দফার ভোটের ক্ষেত্রে এমন কোনও গুরুতর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলেই কমিশনের পর্যবেক্ষণ।

প্রথম দফার ভোটে (West Bengal Assembly Election 2026) হবে না পুনর্নির্বাচন

শুক্রবার কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, প্রথম দফায় যেখানে যেখানে ভোটগ্রহণ হয়েছে, সেই ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথের কোনওটিতেই পুনর্নির্বাচনের দরকার পড়ছে না। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১ অনুযায়ী পুনর্নির্বাচনের নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। কোন পরিস্থিতিতে কোনও বুথে ফের ভোট নেওয়া যাবে, তা আইনে উল্লেখ থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার নির্বাচন কমিশনের হাতেই থাকে।

এর আগে বিভিন্ন নির্বাচনে ছাপ্পা ভোট, ভোটারদের ভয় দেখানো বা ভোটদানে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগ উঠলেও, সব ক্ষেত্রে পুনর্নির্বাচন হয়নি। সাধারণত প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্টের ভিত্তিতেই কমিশন এই সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও এবারের ভোটে কমিশন নিজে থেকে নজরদারি বাড়িয়ে প্রয়োজন হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিল।

উল্লেখ্য, প্রথম দফার ভোটে ভরতপুর ও বহরমপুর কেন্দ্র নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তোলে কংগ্রেস। কংগ্রেস দলের নেতা নিলয় প্রামাণিক পুনর্নির্বাচনের দাবি তুলে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানান।

No re-elections in first phase of West Bengal Assembly Election 2026

আরও পড়ুন :দ্বিতীয় দফার আগে হাবড়ায় অ্যাকশন মোডে ইডি, চাল ব্যবসায়ীদের বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি

কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত প্রথম দফায় ভোটদানের হার ছিল ৯২.৮৮ শতাংশ। রাজ্যের অধিকাংশ জেলাতেই ৯০ শতাংশের বেশি ভোটদানের ছবি দেখা গিয়েছে। প্রথম দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে বলে কমিশনের বার্তা। এখন নজর দ্বিতীয় দফার ভোটে, যেখানে একইভাবে নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই প্রশাসনের বড় চ্যালেঞ্জ।