বিধানসভায় ‘মদ্যপ’ মুখ্যমন্ত্রী? ভগবন্তের ডোপ টেস্টের দাবি

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: পাঞ্জাবের রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের ঝড় উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে (Bhagwant Mann) ঘিরে। শুক্রবার শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন চলাকালীন বিরোধীদের তরফে অভিযোগ ওঠে, মুখ্যমন্ত্রী নাকি মদ্যপ অবস্থায় অধিবেশনে উপস্থিত হয়েছিলেন। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিধানসভা চত্বরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য তৈরি হয়।

বিধানসভায় মদ্যপ অবস্থায় ঢোকার অভিযোগ ভগবন্ত মানের (Bhagwant Mann) বিরুদ্ধে

অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস এবং শিরোমণি আকালি দল। তাদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর আচরণে স্পষ্ট ছিল তিনি স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলেন না। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, বিরোধী বিধায়করা তাঁর শরীরে অ্যালকোহলের মাত্রা পরীক্ষা করার দাবি তোলেন। এই ইস্যুতে অধিবেশন কার্যত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং শাসক-বিরোধী বাকবিতণ্ডা চরমে পৌঁছায়।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ক্ষমতা হারানোর পরেই উঠল বড় অভিযোগ! ১০০ কোটি আত্মসাৎ করেছেন ইউনূস?

এদিকে, সদ্য আম আদমি পার্টি ছেড়ে দেওয়া সাংসদ স্বাতী মালিওয়ালও কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তিনি দাবি করেন, “গণতন্ত্রের মন্দিরে মদ্যপ অবস্থায় প্রবেশ করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। এর আগেও একাধিকবার এমন আচরণের অভিযোগ উঠেছে।” তাঁর আরও দাবি, বিষয়টি গুরুতর হওয়ায় অবিলম্বে মেডিক্যাল পরীক্ষা করে সত্যতা যাচাই করা উচিত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে পদ থেকে অপসারণের কথাও ভাবা উচিত।

এই বিতর্কের মধ্যেই সামনে আসছে শাসক দলের অন্দরমহলের অস্থিরতার খবর। সম্প্রতি রাঘব চাড্ডা সহ একাধিক নেতা দল ছাড়ার পর থেকেই এম আদমি পার্টির অবস্থান নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। হরিয়ানায় দলের প্রাক্তন রাজ্যসভাপতি নবীন জয়হীন্দ দাবি করেছেন, পাঞ্জাবে প্রায় ২৮ জন বিধায়ক দল ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা দলের ভিতরে গভীর অসন্তোষের ইঙ্গিত দেয়।

Allegations against Bhagwant Mann of entering the Assembly while intoxicated.

আরও পড়ুন: নাগরিকত্ব প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা আনতে নতুন নিয়ম! পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও কড়া বিধিনিষেধ

সব মিলিয়ে, একদিকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা এই গুরুতর অভিযোগ, অন্যদিকে দলের অন্দরের অশান্তি—দুয়ের জেরে পাঞ্জাবের (Punjab) রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। যদিও শাসক দলের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে, তবুও বিষয়টি নিয়ে জনমনে কৌতূহল এবং বিতর্ক দুই-ই বাড়ছে। আগামী দিনে এই ইস্যু রাজ্যের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।