বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আজ ১৬ই অগাস্ট, বিগত সরকার অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আমলে আজকের দিনটি ‘খেলা হবে দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছিল। যদিও সেটা আসলে ‘রক্ত নিয়ে খেলা’ বলে তোপ দাগলেন অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Pal)। তবে সরকার বদলেছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আমলে খেলা হচ্ছে তবে সেটা ডেভেলপমেন্ট নিয়ে সকলের সাথে। এই মর্মেই বিস্ফোরক বক্তব্য রাখলেন অগ্নিমিত্রা।
মমতা ব্যানার্জীর সাদা শাড়িতে রক্তের দাগ : অগ্নিমিত্রা পাল
তিনি জানান, ‘তৃণমূল মানুষের রক্ত নিয়ে খেলেছে, আজকে অভয়ার বিচার হয়নি। মমতা ব্যানার্জীর সাদা শাড়িতে তো রক্ত ছিল সেটা তো খুব স্বাভাবিক আমরা বলেছি, যে আপনার শাড়িতে রক্ত আছে। এরকম বিভিন্ন ঘটনা হয়েছে’।
অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitr Paul) আরও বলেন, ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী যার জন্য আমরা পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছি তাঁকে কোনোদিন সন্মান দেওয়া হয়নি। সন্মান কোথায়? পশ্চিমবঙ্গ দিবস তৈরি করা হল ২০ই জুন সেটাই বিধানসভায় করতে দেয়নি। বলেছেন পয়লা বৈশাখ পশ্চিমবঙ্গ দিবস হবে। ইতিহাসকে ভুলিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। শুধুমাত্র মমতা ব্যানার্জীই নয়, ইন্ডি জোটের সমস্ত অ্যালায়েন্স পার্টি।
আরও পড়ুনঃ একাধিক স্টেশনের পানীয় জলে ব্যাকটেরিয়া! পরিষেবায় ঘাটতি হাওড়া-শিয়ালদহতেও, ক্যাগ রিপোর্টে উদ্বেগ
একইভাবে গোপাল মুখোপাধ্যায়, যাকে আমরা গোপাল পাঁঠা বলে চিনি। হাজার হাজার মহিলাদের সেদিন ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল আজকের দিনে। ইতিহাসকে ভুলে চলবে না, ছেলেমেয়েদের বোঝাতে হবে আজকে যে তুমি কলকাতার রাস্তায় স্বাধীনভাবে হাঁটছো সেটা গোপাল মুখার্জীর জন্য ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য। মেয়েদের ধর্ষণ করে খুন করে মেডিকেল কলেজের জানলার যে শিক ছিল তাতে গেঁথে দেওয়া হয়েছিল। এগুলো ভুলে চলবে না।
শুভেন্দু সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ
আর আজ আমাদের কি রকম ডেস্টিনি দেখুন, ১৬ই অগাস্ট শুভেন্দু সরকার ১০০ দিন পূরণ করল এই দিনটাতেই। খেলা হবে খেলা হবে দিবস করেছিলেন, রক্ত নিয়ে খেলা করেছেন। আর আজকে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, আমরা ডেভেলপমেন্ট নিয়ে খেলা করছি। তাও সবাইকে নিয়ে, রক্ত নিয়ে নয়, সমস্ত ধর্মের মানুষ, পলিটিকাল মানুষ সবাইকে নিয়ে ডেভেলোপমেন্টকে নিয়ে আমরা খেলা করছি। পশ্চিমবঙ্গকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।
চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনা
এরপর আয়ুষ্মান ভারত ও স্বাস্থ্য বীমা যোজনা নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি আরও জানান, এটা আমাদের কাছে বিরাট আনন্দের, বিশেষ করে আমাদের মত জনপ্রতিনিধিদের জন্য। যেখানে বারবার পেশেন্ট আসত বারবার ভোটার আসত দিদি ক্যান্সার হয়েছে, দিদি লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে, দিদি কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে, দিদি বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। কোথা থেকে করবে? স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তো পশ্চিমবঙ্গের বাইরে কোনো হাসপাতালে উনি লাগু করতে পারেননি। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে আপনাকে পশ্চিমবঙ্গের হাসপাতালও নিত না। আর আজকে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে এসেছেন। এছাড়া যারা স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় পড়বেন না তাদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবীমা যোজনা থাকছে যেটা মুখ্যমন্ত্রী বিকেল ৪টের সময় উদ্বোধন করবেন। এটা আমার কাছে অত্যন্ত সৌভাগ্যের ও আনন্দের।













