LPG সঙ্কটের আবহেই অ্যাকশন কেন্দ্রের! তেল কোম্পানিগুলিকে বড় নির্দেশ দিল সরকার

Published on:

Published on:

Central Government takes big action amid LPG Crisis.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই আবহে জ্বালানির সঙ্কটজনক (LPG Crisis) পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার ফের সক্রিয় হয়েছে। ইতিমধ্যেই পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলিকে কমপক্ষে ৩০ দিনের LPG মজুত বজায় রাখতে বলেছে।

LPG সঙ্কটের (LPG Crisis) আবহেই বড় অ্যাকশন কেন্দ্রের:

পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা বলেন, ‘আমরা তেল ও গ্যাসের মজুত নিয়ে কাজ করছি। তেল কোম্পানিগুলিকে অন্তত ৩০ দিনের LPG মজুত রাখার জন্য বলা হয়েছে এবং তারা সেই অনুযায়ী কাজ করছে। আমরাও অপরিশোধিত তেলের জন্য একইভাবে কাজ করছি।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, LPG-র চাহিদা আগের ৮০,০০০ মেট্রিক টন থেকে কমে ৭২,০০০ মেট্রিক টনে নেমে এসেছে। ভারতীয় শোধনাগারগুলি বর্তমানে ৫২,০০০ মেট্রিক টন LPG উৎপাদন করছে বলেও জানা গিয়েছে।

Central Government takes big action amid LPG Crisis.

কীভাবে উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে: LPG উৎপাদন প্রসঙ্গে সুজাতা শর্মা বলেন, এটি শোধনাগারগুলির অভ্যন্তরীণ অপটিমাইজেশনের ওপর নির্ভর করে।, সি৩ এবং সি৪ অণু ব্যবহারের মাধ্যমেও উৎপাদনের ভারসাম্য বজায় রাখা হচ্ছে। কিছু শোধনাগার পুনরায় চালু হওয়ায় সরবরাহ উন্নত হয়েছে। এছাড়াও, বিভিন্ন শোধনাগারের অপটিমাইজেশন প্রচেষ্টার কারণে LPG-র সহজলভ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সুজাতা শর্মার মতে, ঋতুগত ওঠানামা LPG-র চাহিদাকে প্রভাবিত করে। যার ফলে খরচে অস্থিরতা দেখা যায়।

আরও পড়ুন: ৭৩০ দিনের জন্য বন্ধ থাকবে এই রেল রুট! বাতিল হবে ৫০ টিরও বেশি ট্রেন

তেল কোম্পানিগুলির প্রতিদিন কত লোকসান করছে: পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ দূর করে সুজাতা শর্মা বলেন যে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে তেল ও ডিজেল কোম্পানিগুলি বর্তমানে প্রতিদিন ৫৫০ কোটি টাকার লোকসান করছে। দশ দিনের মধ্যে চতুর্থবারের মতো পেট্রোলের দাম বাড়িয়ে খুচরো বিক্রেতারা প্রতি লিটারে পেট্রোলের দাম ২.৬১ টাকা এবং ডিজেলের দাম ২.৭১ টাকা বাড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: কাগজের পরিবর্তে এবার বাজারে আসছে প্লাস্টিক নোট? কী পরিকল্পনা RBI-র?

এই বৃদ্ধির ফলে পেট্রোল ও ডিজেলের মোট দাম লিটার প্রতি প্রায় ৭.৫ টাকা বেড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর আগে ফেব্রুয়ারিতে তেল শোধনাগারগুলির তেল আমদানির গড় মূল্য ছিল ৬৯.০১ ডলার। যা মে মাসে বেড়ে ১০৬.৮৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানি মজুত, কালোবাজারি, অবৈধ মজুত এবং আত্মসাৎ রোধ করতে সরকার রাজ্যগুলিকে বিশেষ প্রয়োগকারী দল গঠন করতে বলেছে। এছাড়া,জনসাধারণকে গুজব এড়িয়ে শুধুমাত্র সরকারি তথ্যের ওপর নির্ভর করার জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে।