বাংলাহান্ট ডেস্ক : গ্রীষ্মকাল মানেই আমপ্রেমীদের সুখের সময়। হিমসাগর, ফজলি, ল্যাঙরা থেকে আলফনসো, আমের (Mango) ভ্যারাইটি প্রচুর। রসে ভরা পাকা টুসটুসে আম দেখলে জিভে জল আসাই স্বাভাবিক। তবে বাজারের থলে ভর্তি করে যে আমগুলি বাড়িতে নিয়ে আসছেন, সেসব আদৌ গাছপাকা তো?
কার্বাইডে পাকানো আম (Mango) খাওয়া ক্ষতিকর
গাছপাকা ফলের স্বাদই হয় আলাদা। কিন্তু বর্তমানে চাহিদা যেভাবে বাড়ছে তাতে চটজলদি ফল পাকাতে ব্যবহৃত হয় নানান কেমিক্যাল। অজান্তেই খাবারের মাধ্যমে আমাদের শরীরে মিশছে এই সমস্ত কেমিক্যাল, যা ধীরে ধীরে ডেকে আনতে পারে বড়সড় রোগ। কার্বাইডে পাকানো আম পেটের ব্যাধি থেকে গুরুতর অসুখ ডেকে আনতে পারে। তাহলে উপায় কী?

কীভাবে বুঝবেন আম খাঁটি: বাজারে একবার দেখে কি বোঝা সম্ভব কোন আমটা কার্বাইড দিয়ে পাকানো নয়? হ্যাঁ, সম্ভব। কিছু উপায়ে বোঝা সম্ভব যে কোন আমটা খাঁটি। প্রাকৃতিক উপায়েই কিছু পাকা আমের গায়ে সবুজ, হলুদ অসমান দাগ দেখা যাবে। কিন্তু আম কার্বাইডে পাকানো হলে পুরো আমটির রঙ একই রকম লাগবে।
আরও পড়ুন : একটি পরিবারের জন্য একটাই নাকি আলাদা ফর্ম? অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় বার্তা অগ্নিমিত্রার
দেখে নিন টিপস: বাজার থেকে আম (Mango) কেনার সময় বোঁটার অংশটি নাকের কাছে নিয়ে গেলে যদি সামান্য গন্ধ আসে তবে তা কেমিক্যালে পাকানো। ফলের গন্ধ স্বাভাবিক হলে সেটি স্বাভাবিক ভাবেই পাকানো। প্রাকৃতিক ভাবে পাকানো হলে তার ত্বক নরম হবে। কেমিক্যালে আম পাকানো হলে ভেতরে শক্ত থেকে যাবে।
আরও পড়ুন : আধার কার্ডে ছবি বদলাবেন? জেনে নিন সহজে আপডেটের পদ্ধতি
অনেক সময়ে কেমিক্যালে পাকানো হলে আমের গায়ে কালো ছোপ থাকতে পারে। সহজে পরীক্ষা করার জন্য আমগুলি এক বালতি জলে ডুবিয়ে দিন। প্রাকৃতিক ভাবে পাকানো আম হলে তা সঙ্গে সঙ্গে ডুবে যাবে। আর যদি কার্বাইডে পাকানো হয় তবে তা নাও হতে পারে।













