বাংলাহান্ট ডেস্ক : বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি নানান ‘শিল্পকর্ম’ ভাঙা শুরু করেছে বিজেপি প্রশাসন। যুবভারতীর সামনে থেকে সরেছে ‘অদ্ভূত’ দর্শন মূর্তি। সরানো হচ্ছে বিশ্ব বাংলা লোগো। তবে এখনও অটুট রয়েছে লেকটাউন মোড়ের ক্লক টাওয়ার। লন্ডনের বিগ বেনের আদলে বানানো হয় ওই ক্লক টাওয়ার। কলকাতাকে (Kolkata) লন্ডন বানানোর দাবি করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার শহরে লন্ডন আইয়ের মতো করে তৈরি হতে চলেছে কলকাতা আই।
কলকাতায় (Kolkata) তৈরি হবে লন্ডন আইয়ের আদলে জায়ান্ট হুইল
কলকাতাতেই তৈরি হতে চলেছে বিশালাকার নাগরদোলা। লন্ডনের টেমস নদীর তীরে রয়েছে বিরাট নাগরদোলা ‘লন্ডন আই’। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই লন্ডন আই দেখতে ভিড় জমান পর্যটকরা। তবে এবার আর উজিয়ে লন্ডন যাওয়ার দরকার নেই। কলকাতার বুকেই তৈরি হচ্ছে জায়ান্ট হুইল।

আগেই হয়েছিল পরিকল্পনা: এর আগে রাজ্যের মসনদে তৃণমূল থাকতে থাকতেই এই কলকাতা আই বানানোর পরিকল্পনা হয়েছিল। মিলেনিয়াম পার্কের কাছে লন্ডন আইয়ের আদলে বিশালাকার নাগরদোলা বানানোর পরিকল্পনা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে আলোচনাতেই আটকে থেকেছে তা। জমি জটে আর বাস্তবায়িত হয়নি।
আরও পড়ুন : আর থাকছে না প্যান্ট্রি কার, বহু বছরের সিস্টেমে ঐতিহাসিক বদল, ট্রেনে কোথায় মিলবে খাবার?
কোথায় তৈরি হবে জায়ান্ট হুইল: রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই উঠেপড়ে লেগেছে এই প্রকল্প নিয়ে। এর জন্য কলকাতা (Kolkata) বন্দরের থেকে প্রায় সাড়ে ৪ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে বেসরকারি সংস্থাকে। হাওড়া স্টেশনের কাছে এই জমি হস্তান্তর করা হয়েছে বেসরকারি সংস্থাকে। বাণিজ্যিক কারণে জমি নিয়েছে সংস্থা। তারাই বানাবে জায়ান্ট হুইল। কেমন দেখতে হবে এই কলকাতা আই?
আরও পড়ুন : হু হু করে বাড়ছে চাহিদা, ডিম টাটকা নাকি পচা বুঝবেন কীভাবে?
জানা যাচ্ছে, প্রায় ১৩৫ মিটার বা ৪৩০ ফুট উঁচু এই জায়ান্ট হুইলে থাকবে বাতানুকূল ক্যাপসুল। খুব ধীর গতিতে ঘুরবে চাকা। একটি পাক সম্পূর্ণ করতেই লেগে যাবে প্রায় ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট। এখান থেকে দেখা যাবে শহরের অট্টালিকা থেকে গঙ্গার সৌন্দর্য। জানা যাচ্ছে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে এটি নির্মাণ করার প্রস্তাব এসেছে। কয়েকশো কোটি টাকা ব্যয় হবে এই প্রকল্পে।













