বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সিনেমা নয়, এবার বাস্তবেই থানায় এসে আত্মসমপর্ণ করল মাওবাদী নেত্রী (Maoist Leader Surrender) ‘পুষ্পা’। না না ‘পুষ্পা’ আসল নাম নয়, সেটা হল শকুন্তলা। ২০০১ এর সময় মাওবাদী আন্দোলনের সাক্ষী ছিলেন তিনি। তাঁর মাথার দাম ছিল ১০ লক্ষ টাকা। কিন্তু হটাৎ কেন আত্মসমর্পন? চলুন জেনে নেওয়া যাক খোদ শকুন্তলার মধ্যে থেকেই।
২৫ বছর পর মাওবাদী কার্যকলাপ ছেড়ে আত্মসমর্পন
জন্মসূত্রে ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ির মেয়ে পুষ্পা। ২০০১ সালেই প্রথম সে ‘কালচারাল মাওয়িস্ট’ নামক সংগঠনে যোগ দেন। সেই শুরু, এরপর একাধিক মাওবাদী আন্দোলনের সাথে উঠে এসেছে তাঁর নাম। এমনকি ঝাড়খন্ড-ওড়িশা সীমানায়ও কাজ করেছেন। তবে ১৭ই জুন বুধবার সোজা লালবাজারে এসে হাজির মাওবাদী নেত্রী।
কেন এমন সিদ্ধান্ত জানতে চান কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দ। এই প্রশ্নের উত্তরে পুষ্পা জানান, যে আন্দোলন চলছে সেটা বেশি দূর অবধি এগোবে না। আমার মনে হয়, সরকার যে বাসস্থান, পরিবারের সাথে থাকার সুবিধা দেবে বলছে সেও প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে। সেই আশা নিয়েই আত্মসমর্পণ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ পঞ্চম-অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়াদের জন্য সুখবর! শুরু শিক্ষাশ্রী ও মেধাশ্রী স্কলারশিপে আবেদন
কি অস্ত্র স্যারেন্ডার করলেন ‘পুষ্পা’?
এদিন লালবাজারে পুলিশ কমিশনারের কাছে আত্মসমর্পণ করার সময় পুষ্পা ওরফে শকুন্তলা নিজের কাছে থাকা এসএলআর, ৪০ রাউন্ড কার্তুজ ও ম্যাগাজিন সাবমিট করেছে। একইসাথে সে জানিয়েছে, এখনের পরিস্থিতি আন্দোলনের জন্য সঠিক নয়। মার্কসবাদীদের আন্দোলনের গুরুত্ব অনেটাই কমে গিয়েছে তাই আন্দোলনের আর প্রয়োজন নেই।
প্রসঙ্গত, গত মাসেই প্রবীণ মাওবাদী নেতা শ্রদ্ধা বিশ্বাসকে উত্তর কাশিপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছিল কলকাতা পুলিশ। নোটিয়ার চাকদের বাসিন্দা বেলা তথা মিট ঝাড়খণ্ডের রাজ্যখন্ড আনক্লিক কমিটির সদস্য ছিলেন। এছাড়াও হুগলির জঙ্গিপাড়ার বাসিন্দা মাধাইও আত্মসমর্থন করছিল। এবার সেই দলেই জুড়ল শকুন্তলার নাম।













