বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দু’ভাগে বিভক্ত তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের গোষ্ঠী ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের (Ritabrata Banerjee) গোষ্ঠীর মধ্যে আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণের ধারা চলছে। সোমবার আবার তৃণমূলের নতুন ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করেছেন ঋতব্রত, সন্দীপনরা। এরপরেই সাংবাদিক বৈঠকে ‘কালীঘাট তৃণমূলের’ সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) নিশানা করেন উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের নয়া ‘নামকরণ’ও করেন তিনি।
চার্টার্ড-সফর নিয়ে ফের অভিষেককে খোঁচা ঋতব্রতর | (Ritabrata Banerjee)
গতকাল নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন ঋতব্রত। তিনি বলেন, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের এই বিশেষ সেশনে যারা হাজির ছিলেন, তাঁরা সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রথমে তাঁকে চিনতেই অস্বীকার করেন উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক। পাল্টা জিজ্ঞেস করেন, “কে অভিষেক?”
আরও পড়ুনঃ ‘কিছু তো বাদ যাবেই’! অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিরাট আপডেট দিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী
ঋতব্রত বলেন, “অভিষেক কে? যে চোর পিটুনি খায়। আমি তাঁকে নিয়ে সময় খরচ করতে নারাজ”। একইসঙ্গে জানান, এই বিশেষ সেশনে অভিষেককে নিয়ে কোনও রকম আলোচনাই হয়নি। সাংবাদিক বৈঠকের শেষের দিকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে ‘চার্টার্ড অভিষেক’ বলেও খোঁচা দেন তিনি।
সাম্প্রতিক অতীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড বিমানে সফর নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। এই নিয়ে আগেও সরব হয়েছিলেন ঋতব্রত। বলেছিলেন, “এতে অবাক হওয়ার কী আছে? উনি তো সাধারণ বিমানে চড়েন না। উনি শেষ কবে সাধারণ বিমানে চড়েছেন আমার খেয়াল পড়ছে না। ওনার সঙ্গে চার্টার্ড ফ্লাইট সমার্থক।“

চার্টার্ড ফ্লাইটে সফর করতে কত টাকা খরচ হয় তা উল্লেখ করে ঋতব্রত বলেছিলেন, “চার্টার্ড ফ্লাইটে দিনে গড়ে দেড় কোটি টাকা লাগে। আজ গিয়ে কাল ফিরলে ৩ কোটি টাকা খরচ। তিনদিন থাকলে সাড়ে ৪ কোটি টাকা। চারদিনে ৬ কোটি। এটা দিল্লি যাওয়ার খরচ”।
গতকাল ফের সেই চার্টার্ড-সফর নিয়ে অভিষেককে খোঁচা দেন ঋতব্রত। ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদকে ‘চার্টার্ড অভিষেক’ বলে কটাক্ষ করেন উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক।

















