বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ঝটকা মাংসের দোকান (Jhatka Meat Shop) খুললে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এবার এমনই ঘোষণা করলেন বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাস (Sudipta Das)। ইতিমধ্যেই এলাকার দেওয়ালে দেওয়ালে পোস্টার দিয়ে একথা জানাতে শুরু করেছেন তাঁর অনুগামীরা। কেন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা জানিয়েছেন বিধায়ক নিজে।
ঝটকা মাংসের দোকান খুললেই টাকা | (Jhatka Meat Shop)
সাধারণত দু’টি পদ্ধতিতে মাংস কাটা হয়। একটি, আড়াই প্যাঁচে হালাল মাংস ও দ্বিতীয়, এক কোপে ঝটকা মাংস। বীজপুরের বিধায়ক জানিয়েছেন, এলাকায় যারা ঝটকা মাংসের দোকান খুলবেন তাঁদের নিজের ব্যক্তিগত উপার্জন থেকে ১০ হাজার টাকা করে সম্মানসূচক আর্থিক সহযোগিতা দেবেন। বীজপুরের হিন্দু ধর্মাবলম্বী খাদ্যরসিক মানুষের দীর্ঘদিনের চাহিদার কথা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুনঃ কণ্ঠস্বরের নমুনা দিলেন অভিষেক! কীভাবে ভয়েস স্যাম্পেল রেকর্ডিং হল জানেন?
সমাজমাধ্যমে শেয়ার করা ভিডিওবার্তায় সুদীপ্ত বলেন, “আমি ধর্মনিরপেক্ষ একজন মানুষ। সব ধর্মের প্রতি আমার সম্মান রয়েছে। তবে এখানে বেশিরভাগ দোকানে হালাল পদ্ধতিতে মাংস কাটা হয়। ফলে যেসব হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ ঝটকা মাংস খেতে চান তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত দোকান নেই। তবে আমি মনে করি দু’ধরনের দোকানেরই দরকার আছে। সেই কারণে ঝটকা পদ্ধতিতে মাংস কাটাকে আমি উৎসাহ দিতে চাই।“
এরপরেই আর্থিক অনুদানের কথা ঘোষণা করেন বীজপুরের বিধায়ক। তিনি বলেন, বীজপুরে যারা ঝটকা মাংসের দোকান খুলবেন কিংবা যারা হালাল পদ্ধতি থেকে ঝটকা পদ্ধতিতে মাংস কাটা শুরু করবেন তাঁদের আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। নিজের ব্যক্তিগত উপার্জন থেকে এই অর্থ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সুদীপ্ত বলেন, বীজপুরের একজন নাগরিক ও একজন হিন্দু হিসেবে তিনি চান বীজপুরে ঝটকা মাংসের দোকান হোক। যাতে সেখান থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষরা ঝটকা মাংস কিনে খেতে পারেন। ইচ্ছুক ব্যবসায়ীদের যোগাযোগ করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।













