বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে সরকারি দফতরে কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে এবং কাজে গতি আনতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে নবান্ন (Government of West Bengal)। সম্প্রতি কর্মীদের (Government Employees) অফিসে উপস্থিতি এবং বেরোনোর সময় নিয়েও কড়া নিয়ম এনেছে রাজ্য সরকারের জুডিশিয়াল ডিপার্টমেন্ট। নবান্নে বাধ্যতামূলক হয়েছে ‘ফেস রিকগনিশন’ বায়োমেট্রিক হাজিরা। এবার সেই একই পন্থা অবলম্বন করে ডি.এল.এড কলেজগুলির জন্য বায়োমেট্রিক উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করল পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (WBBPE)।
ডি.এল.এড কলেজগুলির জন্য কড়াকড়ি পর্ষদের | WBBPE
সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, কাঠামোগত স্বচ্ছতা এবং শৃঙ্খলার নিরিখে পর্ষদ অনুমোদিত সমস্ত ডি.এল.এড (D.El.Ed) শিক্ষক শিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের জন্য বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা (Bio-Metric Attendance) অবিলম্বে চালু করতে হবে।
পড়ুয়াদের উপস্থিতি রেকর্ড করতে ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন তরফে আগেই সমস্ত স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক সিস্টেম বসানোর নির্দেশ দেওয়া ছিল। এবার সেই নির্দেশিকা কার্যকর করতে পদক্ষেপ পর্ষদের। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এর আগে ১৮ মার্চ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলেছিল, সেই নোটিস জারির ৩০ দিনের মধ্যে সমস্ত স্বীকৃত ডি.এল.এড প্রোগ্রামে নথিভুক্ত ছাত্র-ছাত্রী এবং নিযুক্ত শিক্ষকদের উপস্থিতি রেকর্ড করতে বায়োমেট্রিক যন্ত্রপাতি বসাতে হবে।

আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বড় খবর! লেভেল ১ থেকে ১০-এর সম্ভাব্য বেতন তালিকা
জানা গিয়েছে, পর্ষদের স্পষ্ট নির্দেশ সত্ত্বেও অনেক প্রতিষ্ঠান সেই নিয়ম সঠিকভাবে পালন করছে না। এই আবহে পর্ষদ আবারও এই নতুন বিজ্ঞপ্তিটি জারি করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলিতে অবিলম্বে বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালু নির্দেশ দিয়েছে পর্ষদ। শুধু তাই নয়, নির্দেশিকা অমান্য করলে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এক্ষেত্রে পড়ুয়াদের উপস্থিতির পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মীদের জন্যও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কলেজে প্রবেশ এবং বেরোনোর সময় বায়োমেট্রিক মেশিনে উপস্থিতি রেকর্ড করা বাধ্যতামূলক হতে চলেছে।













