বাংলা হান্ট ডেস্ক: নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস (NEET Question Papper Leak) হয়ে যাওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে (NEET Protest) ইতিমধ্যেই পথে নেমেছে সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষজন। সকলের দাবি একটাই পদত্যাগ করতে হবে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে।
তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের এই আন্দোলনের পাশে আগেই এসে দাঁড়িয়েছে সিজেপি অর্থাৎ ককরোচ জনতা পার্টি। আর এবার চাপে পড়েই এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নিল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি অর্থ্যাৎ NTA।
প্রসঙ্গত, বিগত কয়েকদিন ধরেই প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশ। দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা অনশন চালিয়ে গিয়েছেন সোনম ওয়াংচুক। শেষ পর্যন্ত ২৬ দিনের মাথায় অনশন ভেঙেছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ নব তৃণমূলে যেতেই উলটপুরাণ! বিধানসভায় অগ্নিমিত্রা পালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ফিরহাদ হাকিম
পরিস্থিতি সামাল দিতে গতকাল রাতেই বড় ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানিয়েছিলেন প্রশ্ন ফাঁস রুখতে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা। প্রধামন্ত্রীর এই ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই মোট ৪৭ জন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিল NTA.
শুধু তাই নয়, আগামী দিনে ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় স্বচ্ছতা আনতে একধাক্কায় ৪৭ জন আধিকারিকদের অপসারণ করার পাশপাশি এই NTA এজেন্সিকে একেবারে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাই খুব তাড়াতাড়ি এই সংস্থার পুনর্গঠনের কাজ শুরু করা হবে।
আরও পড়ুনঃ মধ্যবিত্তের পকেটে নতুন চাপ! বেড়ে গেল পানীয় জলের দাম, কলকাতায় হল কত?
জানা যাচ্ছে, চাকরি থেকে অপসারিত করার পাশপাশি ওই কর্মকর্তাদের কয়েক জনের বিরুদ্ধে আইনি ও ফৌজদারি পদক্ষেপও নেওয়া হবে।প্রসঙ্গত এই সংস্থায় আগে থেকেই কর্মী সংকট ছিল। যা এবার আরও বড় আকার ধারণ করেছে।
কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে ২২শে জুলাই রাজ্যসভাকে জানানো হয়েছিল, বর্তমানে এই সংস্থায় অনুমোদিত ৩৯টি পদের বিপরীতে মাত্র ২৪ জন স্থায়ী কর্মচারী রয়েছেন। এমনকী পরিস্থিতি সামাল দিতে এই সংস্থাটি বর্তমানে মোট ৭৩ জন চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী এবং ১২৪ জন আউটসোর্সড কর্মীর সাথেও কাজ করছে।













